Bioscope UNCUT

Bioscope UNCUT Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bioscope UNCUT, Cinema, NARASINGHA ROAD, KOLKATA.
(1)

যেখানে সিনেমা মানে শুধু রিভিউ নয়, সত্যিকারের অনুভূতি।..❤️ সিনেমা ভালোবাসলে Bioscope Uncut আপনারই চ্যানেল🎞️ ট্রেলার রিভিউ, ফিল্ম টক আর real opinion — সব এক জায়গায়

https://youtube.com/?si=m4oIrn5wM-ro9K57
24/03/2026

https://youtube.com/?si=m4oIrn5wM-ro9K57

🎵 Welcome to Lost Feeling Studio 🎵 যেখানে প্রতিটা সুর একটা গল্প বলে। Where every melody tells a story you've never heard — but always felt. আমরা সেই feelings-গুলো নিয়ে কাজ করি যেগুল...

পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই নতুন উদ্য...
27/01/2026

পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই নতুন উদ্যোগটি টলিউডের ইতিহাসে এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ,

বাংলার সিনেমায় নতুন যুগ: -প্রসেনজিতের 'মিনি সিনেমা' প্রকল্প

পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি 'মিনি সিনেমা পলিসি' (Mini Cinema Policy) চালু করেছে, যা মূলত অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিশেষ মডেল বা ভাবনার ফসল। গ্রামীণ ও শহরতলির মানুষের কাছে সিনেমাকে পৌঁছে দিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত।
প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

আসন সংখ্যা: এই মিনি সিনেমা হলগুলো হবে ছোট এবং আরামদায়ক, যেখানে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন দর্শকের বসার ব্যবস্থা থাকবে।

প্রযুক্তি: বড় হলের মতো বিশাল পরদার বদলে এখানে ব্যবহৃত হবে LED ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড। কোনো আলাদা প্রজেকশন রুমের প্রয়োজন হবে না; সাধারণ ডেস্কটপ বা সার্ভারের মাধ্যমেই সিনেমা চালানো যাবে।

বাজেট ও লাইসেন্স: ছোট পরিসরে হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ খরচ কম হবে এবং অগ্নি-নিরাপত্তা বিধি মেনে লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়াও অনেক সহজ করা হয়েছে।

লক্ষ্য: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজ্যের প্রায় ১০০টি জায়গায় এই ধরনের সিনেমা হল তৈরি করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী একে 'প্রসেনজিৎ মডেল' হিসেবেও অভিহিত করেছেন।

কেন এটি টলিউডের জন্য গেম-চেঞ্জার?

১. গ্রামাঞ্চলে সিনেমার প্রসার: যেখানে মাল্টিপ্লেক্স নেই, সেখানেও এখন মানুষ নতুন ছবি দেখতে পাবেন। ২. বাজার বৃদ্ধি: ছোট বাজেটের বাংলা সিনেমাগুলো প্রদর্শনের জন্য এখন অনেক বেশি হল পাবে, যা প্রযোজকদের লগ্নি ফেরাতে সাহায্য করবে। ৩. কর্মসংস্থান: প্রতি জেলায় এই হলগুলো তৈরির ফলে স্থানীয় স্তরে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। ৪. সিঙ্গেল স্ক্রিনের বিকল্প: ধুঁকতে থাকা সিঙ্গেল স্ক্রিন হলের ভিড়ে এই লো-কস্ট মিনি থিয়েটারগুলো সিনেমার ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।
আপনার ফেসবুক পোস্টের জন্য একটি আকর্ষণীয় ক্যাপশন:

🎬 বড় খবর! বাংলার সিনেমা এবার পাড়ায় পাড়ায়! 🎬

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বুম্বাদার (প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়) উদ্যোগে বাংলায় আসতে চলেছে 'মিনি সিনেমা হল'। মাত্র ৫০ আসনের এই ছোট থিয়েটারগুলো বদলে দেবে টলিউডের ভবিষ্যৎ। ডিজিটাল টেকনোলজিতে সাজানো এই হলগুলো কি পারবে বাংলা সিনেমার হারানো দিন ফিরিয়ে আনতে? আপনাদের মতামত জানান কমেন্টে! 👇

(Pre-release Review/'প্রি-রিলিজ রিভিউ')🔥 বাঘিনী ফিরছে আরও ভয়ানক রূপে! মর্দানি ৩ নিয়ে কেন এত উত্তেজনা? 🔥দীর্ঘ অপেক্ষার অব...
24/01/2026

(Pre-release Review/'প্রি-রিলিজ রিভিউ')
🔥 বাঘিনী ফিরছে আরও ভয়ানক রূপে! মর্দানি ৩ নিয়ে কেন এত উত্তেজনা? 🔥

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান! আগামী ৩০শে জানুয়ারি বড় পর্দায় ফিরছেন শিবানী শিবাজী রায়। ট্রেলার এবং সেন্সর রিপোর্ট দেখে যা বোঝা যাচ্ছে, এবারের লড়াইটা হতে চলেছে ফ্র্যাঞ্চাইজির সবচেয়ে অন্ধকার এবং নৃশংস অধ্যায়।

কেন 'মর্দানি ৩' আপনার ওয়াচলিস্টে সবার ওপরে থাকা উচিত? রইল কিছু হুক পয়েন্ট (Hook Points):

🎯 ১. ভিলেন যখন 'আম্মা': মর্দানি সিরিজের অন্যতম ইউএসপি (USP) হলো এর খলনায়ক। তাহির রাজ ভাসিন এবং বিশাল জেঠওয়ার পর এবার ভিলেনের চরিত্রে আসছেন মল্লিকা প্রসাদ, যিনি 'আম্মা' চরিত্রে অভিনয় করছেন। ট্রেলার দেখে বোঝা যাচ্ছে, এই চরিত্রটি শিবানীকে মানসিক এবং শারীরিকভাবে চরম পরীক্ষায় ফেলবে।

🎯 ২. বিষয়বস্তু - ভিক্ষাবৃত্তি মাফিয়া: এবার আর শুধু নারী পাচার নয়, গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে 'বেগার মাফিয়া' (Beggar Mafia)। ছোট শিশুদের অপহরণ করে ভিক্ষাবৃত্তিতে নামানোর মতো হাড়হিম করা সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হয়েছে এবারের চিত্রনাট্য। এটি যে দর্শকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলবে, তা বলাই বাহুল্য।

🎯 ৩. সেন্সর বোর্ডের কাঁচি ও U/A 16+: সেন্সর বোর্ড ছবিটিকে 'U/A 16+' সার্টিফিকেট দিয়েছে, যার অর্থ এতে বেশ কিছু ভায়োলেন্ট দৃশ্য রয়েছে। যদিও কিছু শব্দ এবং দৃশ্য পরিবর্তন করা হয়েছে, তবুও ছবির মেজাজ যে অত্যন্ত রাফ অ্যান্ড টাফ (Rough & Tough) থাকবে, তার ইঙ্গিত স্পষ্ট। রান টাইম প্রায় ২ ঘণ্টা ১০ মিনিট—অর্থাৎ পুরোটাই টানটান উত্তেজনা!

🎯 ৪. রাণীর রুদ্রমূর্তি: রাণী মুখার্জি মানেই পাওয়ারপ্যাক পারফরম্যান্স। কিন্তু 'মর্দানি ৩'-এ তাঁকে আরও বেশি অ্যাগ্রেসিভ এবং ইনটেন্স লুকে দেখা যাবে। ট্রেলারে তাঁর সংলাপ এবং অ্যাকশন সিকোয়েন্সগুলো ইতিমধ্যেই গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো।

🎬 মুক্তির তারিখ: ৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ (প্রেক্ষাগৃহে)

❓ আপনারা কি তৈরি শিবানীর এই নতুন লড়াই দেখার জন্য? কমেন্টে জানান! 👇

With Yash – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
24/01/2026

With Yash – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

10/01/2026

মুভি রিভিউ: কেউ বলে ডাকাত, কেউ বলে বিপ্লবী

Headline: ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে এক বারুদের গন্ধমাখা আখ্যান – ডাকাত না কি দেশপ্রেমিক?

রেটিং: ⭐⭐⭐⭐ (৪/৫) জনরা: পিরিয়ড ড্রামা / অ্যাকশন / থ্রিলার

ছোটবেলায় দাদী-নানীর মুখে গল্প শুনতাম—বনে জঙ্গলে ঘুরে বেড়াত একদল মানুষ। ধনীদের ত্রাস, আর গরীবের ভগবান। ব্রিটিশ সরকার যাদের দাগিয়ে দিয়েছিল 'ডাকাত' বলে, অথচ সাধারণ মানুষ তাদের পুজো করত 'বিপ্লবী' হিসেবে। সেই ধোঁয়াশা মাখা ইতিহাসের পাতা কি পর্দায় সঠিকভাবে ফুটে উঠল? আসুন ব্যবচ্ছেদ করা যাক।

১. গল্প ও চিত্রনাট্য (Story & Screenplay): ছবির ট্যাগলাইনই যখন "কেউ বলে ডাকাত, কেউ বলে বিপ্লবী", তখন বুঝতেই পারছেন গল্পের মূল দ্বন্দ্বটা কোথায়। পরিচালক খুব সাহসিকতার সাথে দেখিয়েছেন যে, পেটের খিদে আর দেশের পরাধীনতা যখন এক বিন্দুতে মেশে, তখন অস্ত্র তুলে নেওয়াটা শখ থাকে না, দায়ে পরিণত হয়। চিত্রনাট্যটি লিনিয়ার নয়, ফ্ল্যাশব্যাকের ব্যবহার এবং ক্লাইম্যাক্সের টুইস্ট—সিট থেকে উঠতে দেবে না। প্রথমার্ধ কিছুটা স্লো মনে হলেও, বিরতির পর গল্প যেন ঝড়ের গতিতে এগিয়েছে।

২. অভিনয় (Acting & Performance): মুখ্য চরিত্রের চোখের ভাষা ছিল দেখার মতো। যখন সে মশালের আলোয় জ্বলে ওঠে, তখন তার চোখে লোভ নয়, বরং একটা জেদ দেখা যায়—দেশমাতার শৃঙ্খল মোচনের জেদ। তার গলার স্বর, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং অ্যাকশন সিকোয়েন্সগুলোতে যে পরিশ্রম দেওয়া হয়েছে, তা পর্দায় স্পষ্ট। পার্শ্ব চরিত্রগুলোও গল্পের বুননে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল, বিশেষ করে ব্রিটিশ অফিসারের চরিত্রটি—যাকে কেবল 'ভিলেন' হিসেবে না দেখিয়ে, একজন বুদ্ধিমান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

৩. পরিচালনা ও নির্মাণ (Direction & Making): পরিচালক ইতিহাসের সাথে সিনেমাটিক লিবার্টি বা স্বাধীনতার এক দারুণ ভারসাম্য বজায় রেখেছেন। জঙ্গলের চেজ সিকোয়েন্স (Chase Sequence) এবং লাঠিখেলা—বাঙালির আদিম বীরত্বকে মনে করিয়ে দেয়। ড্রোন শট এবং নাইট মোডের সিনগুলোয় সিনেম্যাটোগ্রাফির কাজ ছিল দুর্দান্ত। তবে, ভিএফএক্স (VFX)-এর কাজ কিছু জায়গায় আরেকটু ভালো হতে পারত।

৪. আবহ সঙ্গীত (Background Score): এই সিনেমার প্রাণ হলো এর বিজিএম (BGM)। যখনই বিপ্লবীদের ঘোড়া ছুটেছে, ব্যাকগ্রাউন্ডে ঢাক আর কাঁসরের আওয়াজ গায়ের লোম খাড়া করে দেওয়ার মতো। গানের লিরিক্সেও দেশাত্মবোধক ছোঁয়া ছিল, যা মন ছুঁয়ে যায়।

🔎 শেষ কথা (Verdict): "কেউ বলে ডাকাত, কেউ বলে বিপ্লবী"—এই সিনেমাটি কেবল বিনোদন নয়,

🎬 নতুন বছরে টলিউডের বিগ ধামাকা: কোন ছবি জিতবে দর্শকদের মন? 🍿নমস্কার বন্ধুরা! নতুন বছর ২০২৬ শুরু হতেই টলিউড পাড়ায় এখন সাজ...
08/01/2026

🎬 নতুন বছরে টলিউডের বিগ ধামাকা: কোন ছবি জিতবে দর্শকদের মন? 🍿

নমস্কার বন্ধুরা! নতুন বছর ২০২৬ শুরু হতেই টলিউড পাড়ায় এখন সাজ সাজ রব। একজন মুভি ক্রিটিক হিসেবে গত কয়েকদিনের ট্রেলার আর টিজার অ্যানালাইসিস করে আমি এই মাসের ৫টি সবথেকে চর্চিত সিনেমা নিয়ে হাজির হলাম। চলুন দেখে নিই এই সপ্তাহে আপনার 'ওয়াচলিস্ট'-এ কোনগুলো থাকা উচিত।
১. বিজয়নগরের হীরে (অ্যাডভেঞ্চার রেটিং: ৪.৫/৫) ⭐

কাকাবাবু আর সন্তু মানেই নস্টালজিয়া! প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় আবার প্রমাণ করলেন কেন তিনি টলিউডের 'ইন্ডাস্ট্রি'। হাম্পির লোকেশন আর হীরের রহস্য—সব মিলিয়ে এই শীতে এটি একটি পারফেক্ট ফ্যামিলি এন্টারটেইনার হতে চলেছে। ট্রেলারের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক কিন্তু গায়ে কাঁটা দিচ্ছে!
২. ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল (কমেডি রেটিং: ৪/৫) ⭐

হরর আর কমেডির ব্যালেন্স করা খুব কঠিন, কিন্তু মিমি চক্রবর্তী এবং সোহমের কেমিস্ট্রি বেশ ফ্রেশ লাগছে। শীতের রাতে একটু ভয় আর একরাশ হাসির জন্য এই ছবিটি মাস্ট ওয়াচ। বিশেষ করে ছবির সিজিআই (CGI) কাজ আগের চেয়ে অনেক উন্নত।
৩. হোক কলরব (থ্রিলার রেটিং: ৪.৮/৫) ⭐

ব্যক্তিগতভাবে এই ছবিটি নিয়ে আমি সবথেকে বেশি আশাবাদী। রাজ চক্রবর্তী সামাজিক ইস্যুকে যেভাবে পর্দায় আনেন, তা অনবদ্য। শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। সিরিয়াস সিনেমা যারা পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি সেরা ট্রিট।
৪. কীর্তনের পর কীর্তন (কালচারাল রেটিং: ৩.৫/৫) ⭐

বাঙালি মানেই গান আর সংস্কৃতি। এই সিনেমাটি আমাদের শেকড়ের কথা বলে। যারা একটু শান্ত এবং মিউজিক্যাল ড্রামা পছন্দ করেন, তারা ৯ই জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে যেতে পারেন।
৫. নারী চরিত্র বেজায় জটিল (রম-কম রেটিং: ৩.৮/৫) ⭐

সম্পর্কের জটিলতা আর রোমান্টিক কমেডির এক মিশ্রণ। উইকেন্ডে হালকা মেজাজে সঙ্গীকে নিয়ে দেখার জন্য এই ছবিটি মন্দ হবে না।
আমার মতামত (Final Verdict):

ব্যক্তিগতভাবে আমি 'বিজয়নগরের হীরে' এবং 'হোক কলরব'-এর লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে আছি। একদিকে অ্যাডভেঞ্চার আর অন্যদিকে রূঢ় বাস্তবতা—বক্স অফিস কার দিকে ঝোঁকে সেটাই দেখার!

📢 আপনার কী মনে হয়? এই ৫টি ছবির মধ্যে আপনি কোনটির জন্য সবথেকে বেশি অপেক্ষা করছেন? নিচের কমেন্ট বক্সে জানান! আর ভালো লাগলে পোস্টটি শেয়ার করুন। 👇

#টলিউড_আপডেট

03/01/2026
'বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা' (BAD) সিনেমাটি বাস্তব জীবনের নায়ক পদ্মশ্রী করিমুল হকের জীবনীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এতে অভিন...
03/01/2026

'বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা' (BAD) সিনেমাটি বাস্তব জীবনের নায়ক পদ্মশ্রী করিমুল হকের জীবনীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এতে অভিনয় করছেন সুপারস্টার দেব, তাই পোস্টটি এমনভাবে সাজাতে হবে যেন মানুষ শেয়ার করতে আগ্রহী হয়।
নিচে ফেসবুকের জন্য একটি প্রফেশনাল এবং এঙ্গেজিং রিভিউ ফরম্যাট দেওয়া হলো:
🎬 মুভি রিভিউ: 'বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা' – মানবতার এক অনন্য দলিল! ❤️
গ্ল্যামার আর কমার্শিয়াল মশলার ভিড়ে টলিউড মাঝে মাঝে এমন কিছু গল্প নিয়ে আসে যা সরাসরি হৃদয়ে আঘাত করে। সুপারস্টার দেব-এর ৫০তম ছবি 'Bike Ambulance Dada' (B.A.D) ঠিক তেমনই একটি সিনেমা।
🌟 গল্পের প্রেক্ষাপট:
সিনেমাটি জলপাইগুড়ির মালবাজারের বাসিন্দা করিমুল হকের বাস্তব জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। ১৯৯৫ সালে অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে মাকে হারিয়েছিলেন তিনি। সেই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি নিজের বাইককেই বানিয়ে ফেলেন অ্যাম্বুলেন্স। গত ২০ বছরে প্রায় ৫০০০-এর বেশি মানুষকে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে জীবন বাঁচিয়েছেন এই মানুষটি। এই অবিশ্বাস্য মানবিক যাত্রাই ফুটে উঠেছে পর্দায়।
🎭 দেব-এর পারফরম্যান্স:
এই ছবিতে দেব কোনো 'হিরো' নন, বরং একজন রক্ত-মাংসের সংগ্রামী মানুষ। তার লুক থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের আঞ্চলিক টান—সবই ছিল চোখে পড়ার মতো। তার বিপরীতে ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ অঙ্কিতা মল্লিকের বড় পর্দায় অভিষেকটিও বেশ প্রশংসনীয়।
✅ কেন দেখবেন?
* বাস্তব ধর্মী গল্প: কোনো অতিরঞ্জিত ড্রামা নেই, একদম মাটির মানুষের গল্প।
* সামাজিক বার্তা: এক জন সাধারণ মানুষ চাইলে কীভাবে গোটা সমাজের চিত্র বদলে দিতে পারে, তা এই ছবি শিখিয়ে দেয়।
* লোকেশন: উত্তরবঙ্গের মনোরম ডুয়ার্স এবং চা-বাগানের অপূর্ব চিত্রায়ন।
💬 আমাদের মতামত:
আপনি যদি অ্যাকশন বা রোমান্টিক কমেডির বাইরে জীবনমুখী সিনেমা পছন্দ করেন, তবে 'বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা' আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। এটি কেবল একটি সিনেমা নয়, এটি আমাদের চারপাশের হাজারো নিঃস্বার্থ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
রেটিং: ⭐⭐⭐⭐ (৪/৫)
📌 আপনার মতামত জানান: করিমুল হকের এই ত্যাগ সম্পর্কে আপনি কি আগে জানতেন? আর দেবের এই নতুন অবতার আপনার কেমন লেগেছে? কমেন্টে জানান! 👇


Copyright Disclaimer:
Under section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for “fair use” for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, education and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.

‘রান্নাবাটি’ সিনেমাটি মূলত একটি মিষ্টি প্রেমের গল্প, যা রান্না এবং আবেগের মিশেলে তৈরি। আপনি যদি হালকা মেজাজের, পারিবারিক...
02/01/2026

‘রান্নাবাটি’ সিনেমাটি মূলত একটি মিষ্টি প্রেমের গল্প, যা রান্না এবং আবেগের মিশেলে তৈরি। আপনি যদি হালকা মেজাজের, পারিবারিক এবং সুন্দর ফ্রেমের সিনেমা পছন্দ করেন, তবে এটি আপনার ভালো লাগবে।
নিচে সিনেমাটির একটি সংক্ষিপ্ত রিভিউ দেওয়া হলো:
প্লট বা কাহিনী
সিনেমার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে আছে রান্না। গল্পের নায়ক এবং নায়িকা দুজনেই রান্নার জগতের মানুষ। তবে তাদের ঘরানা আলাদা। একজন হয়তো ট্র্যাডিশনাল রান্নায় বিশ্বাসী, অন্যজন ফিউশন বা আধুনিকতায়। এই রান্নার বৈচিত্র্য এবং খাবারের স্বাদের সূত্র ধরেই তাদের সম্পর্কের রসায়ন জমে ওঠে। বাঙালি মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন, স্বপ্ন এবং ভালোবাসার মিশেলে গল্পটি এগিয়েছে।
ইতিবাচক দিক (Pros)
* সিনেমাটোগ্রাফি: সিনেমার কালার প্যালেট এবং বিশেষ করে খাবারের শটগুলো দারুণ। যারা 'ফুডোগ্রাফি' পছন্দ করেন, তাদের কাছে এটি ভিজ্যুয়াল ট্রিট।
* অভিনয়: প্রধান চরিত্রগুলোর অভিনয় বেশ সাবলীল। বিশেষ করে সম্পর্কের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো তারা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
* সঙ্গীত: সিনেমার গানগুলো বেশ শ্রুতিমধুর এবং গল্পের মেজাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
* পারিবারিক আবহ: অহেতুক ড্রামা এড়িয়ে খুব সহজ-সরলভাবে গল্পটি বলা হয়েছে, যা পরিবারের সবার সাথে দেখার মতো।
দুর্বল দিক (Cons)
* প্রেডিক্টেবল গল্প: গল্পের শেষে কী হতে চলেছে, তা আগে থেকেই কিছুটা অনুমান করা যায়। নতুন কোনো বড় টুইস্ট বা চমক এখানে কম।
* গতি: কিছু জায়গায় গল্পের গতি কিছুটা ধীর মনে হতে পারে।
সামগ্রিক মতামত
‘রান্নাবাটি’ কোনো জটিল মনস্তাত্ত্বিক সিনেমা নয়, বরং এটি একটি "ফিল গুড" মুভি। রবিবারের দুপুরে বা ছুটির দিনে মন ভালো করা কোনো সিনেমা দেখতে চাইলে এটি আপনার তালিকায় রাখতে পারেন। বিশেষ করে ভোজনরসিক বাঙালিদের জন্য এই সিনেমাটি একটি আলাদা পাওয়া।
আমার রেটিং: ৩.৫ / ৫

Address

NARASINGHA ROAD
Kolkata
711105

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm
Sunday 9am - 5pm

Telephone

+919647653593

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bioscope UNCUT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category