09/08/2020
Happy birthday 🎂🎂🎉
মহেশ বাবু একজন ভারতীয় অভিনেতা। তেলুগুভাষী চলচিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি সুবিখ্যাত। পারিবারিক নাম মহেশ ঘাট্টামানেনি। তিনি ১৯৭৪ সালের আগস্ট মাসে জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা কৃষ্ণ ঘাট্টামানেনি অভিনেতা হওয়ার সুবাদে চার বছর বয়সেই মহেশ ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়। ১৯৭৯ সালে নিদ চলচিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবনের সূত্রপাত হয়। ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া রাজাকুমারুডু চলচিত্রে তিনি প্রথম নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন।[৩]
২০০৩ সালে ব্লকবাস্টার হিট চলচিত্র ওক্কাডু’তে তিনি একজন তরুন কাবাডি খেলোয়ারের ভূমিকায় করেন। ওক্কাডু সমসাময়িককালে সর্বোচ্চ আয় করা চলচিত্র। চলচিত্রটি ভারতের অন্যান্য ভাষায় পুন:নির্মিত হয়। ২০০৫ সালে আতাডু চলচিত্রের মাধ্যমে আন্ত:র্জাতিক পরিচিতি লাভ করেন। আতাডু তেলুগু চলচিত্রশিল্পের আরেকটি সর্বোচ্চ মুনাফাকারী চলচিত্র।
চলচ্চিত্রটি পোল্যান্ডে মুক্তি দেয়ার জন্য পোলিশ ভাষায় ডাবিং করে পোসজুকিয়ানি নামে মুক্তি দেয়া হয়। পোল্যান্ডে মুক্তি পাওয়া এটাই প্রথম তেলুগুভাষী চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি ব্যাপক সাড়া জাগায় এবং সেই সময়ে ১০৪ লাখ আয় করতে সক্ষম হয়।[৪][৫]
২০০৬ সালে পকিরিতে অভিনয় করে। দুবাইয়ে ৭ম আইআইফা এওয়ার্ডসে ছবিটির প্রিমিয়ার শো প্রদর্শিত হয়।[৬][৭] এই ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্রটি তামিল, হিন্দী এবং কানাড়া ভাষায় পুনর্নিমিত হয়।
২০১১ সালে তার অভিনীত দোকুদু চলচ্চিত্র প্রথম তেলুগু চলচ্চিত্র যা একই সাথে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি দেয়া হয়।[৮][৯] উত্তর, পূর্ব এবং পশ্চিম ভারতের ২১ টি শহরে ছবিটি প্রদর্শিত হয়।[১০] প্রথম তেলুগুভাষী চলচ্চিত্র হিসেবে দোকুদু একসাথে এক বিলিয়ন ভারতীয় রুপি আয় করে। ছবিটি সম্পর্কে লস এঞ্জেলস টাইমস পত্রিকার শিরোনাম ছিলো, "The biggest hit you've never heard of".[১১]। ২০১৪ সালে তিনি মনস্তাত্ত্বিক চলচ্চিত্র নেনোক্কাডিনে অভিনয় করেন। প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি ১.২২৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে।[১২][১৩] তার অভিনীত বক্সঅফিসে সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে মুরারী (২০০১), বিজনেসম্যান (২০১২) এবং শিথামা ভকিতলো সিরিমাল্লে চেট্টু (২০১৩)।
তার অভিনীত শ্রীমানথুডু(২০১৫) সিনেমাটি তেলেগু সিনেমায় ২য় সর্বোচ্চ মুনাফাকারী চলচ্চিত্র।
তিনি সাতটি রাজ্য নন্দী পুরস্কার, চারটি ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতা-তেলুগু, তিনট সিনেমা পুরস্কার এবং একটি দক্ষিণ ভারতীয় আন্তঃর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। তিনি অন্ধ্র প্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের বেশ কিছু পণ্যের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করেন। তিনি থামস আপের জাতীয় শুভেচ্ছা দূত।[১৪] ইন্ডিয়া টাইমস গ্রুপ পরিচালিত অনলাইন সমীক্ষা ‘টাইমস মোস্ট ডিজার্যা বল মেন ২০১৩’ তে তিনি সব থেকে আকর্ষণীয় পুরুষ হিসেবে নির্বাচিত হন।[১৫] ২০১৩ সালে ব্যবসা ম্যাগাজিন ফোর্বস পরিচালিত ‘ফোর্বস ইন্ডিয়াস ১০০ সেলিব্রেটি ১০০’ তে ৩১ তম নির্বাচিত হন।