20/08/2025
“তুফান” (২০২৪) একটি বাংলাদেশী ক্রাইম থ্রিলার চলচ্চিত্র, যা নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশের এক কুখ্যাত গ্যাংস্টার গালিব বিন গণি (যিনি পরবর্তীতে তুফান নামে পরিচিত) এর উত্থান ও পতনের কাহিনী তুলে ধরে। পরিচালনা করেছেন রায়হান রাফি এবং প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান। এছাড়াও, মিমি চক্রবর্তী, মাসুমা রহমান নাবিলা, চঞ্চল চৌধুরী প্রমুখ অভিনয় করেছেন।
প্লট সারাংশ:
১৯৬১ সালে অলোকদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণকারী গালিবের মা প্রসবের সময় মারা যান। ১৯৭৪ সালে, তার বাবা শেনাওয়াজ নামে এক জমি হানাদারের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে, শেনাওয়াজ তাকে হত্যা করে। প্রতিশোধ নিতে গালিব শেনাওয়াজকে শিরশ্ছেদ করে, ফলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয় গ্যাংস্টার বশির ঘুষ দিয়ে গালিবকে মুক্তি দেয় এবং তাকে তার অধীনে নিয়ে আসে, যেখানে গালিবকে “তুফান” নামে অভিহিত করা হয়।
১৯৮৫ সালে, বশিরকে হত্যা করে গালিব তার গ্যাংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ঢাকায় তার অপরাধ সাম্রাজ্য বিস্তার করতে শুরু করে। ১৯৯০ সালে, একটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের অপমানের প্রতিক্রিয়ায়, তুফান একটি মিনি-গান দিয়ে তাদের হত্যা করে এবং জাতীয়ভাবে পরিচিতি লাভ করে। পরবর্তীতে, তিনি একটি তৃতীয় সারির রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করে সরকার গঠনে সাহায্য করেন।
১৯৯৪ সালে, চলচ্চিত্রের অভিনেতা শান্ত তুফানের মতো দেখতে হওয়ার কারণে, তুফান তাকে অপহরণ করে এবং দুই মাস সময় দেয় তার মতো অভিনয় করতে। শান্ত যখন তুফানের মতো অভিনয় করতে শুরু করে, তখন তুফান তাকে তার প্রেমিকা সুচনার কাছে পাঠায়। এদিকে, পুলিশ কর্মকর্তা আকরাম তুফানকে ধরার জন্য তৎপর হয়। শেষে, সুচনা আকরামের কাছে তুফানের প্রকৃত অবস্থান প্রকাশ করে, এবং আকরাম তাকে হত্যা করে। তবে, পরবর্তী দৃশ্যে দেখা যায় যে, আকরাম আসলে তুফানকে হত্যা করেনি; তিনি গোপনে তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।
এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।