সিনেম্যানিয়া- CineManiac

সিনেম্যানিয়া- CineManiac Movie Review ! Movie Roast

 #কল্কি  কলি যুগের চরম পর্যায়ে এসে পৃথিবীর একমাত্র টিকে থাকা শহর বলতে কাশী । সেথা ইয়াসকিন আর সুপ্রিমের দাপটে সভ্যতা শুধু...
29/07/2024

#কল্কি


কলি যুগের চরম পর্যায়ে এসে পৃথিবীর একমাত্র টিকে থাকা শহর বলতে কাশী । সেথা ইয়াসকিন আর সুপ্রিমের দাপটে সভ্যতা শুধু পাঁচ তলা মলে আটকে ! ঐ কমপ্লেকসের ছাদেই সমুদ্র আর সবুজ জঙ্গল । সে স্বাদের ভাগ বাকি জনজাতিকে নিতে হলে জোটাতে হবে দশ লক্ষ ইউনিট , ওটাই এন্ট্রি ফি । সরকার থেকে মাঝে মাঝে চালানো লটারির মতো টাস্কে লেগে থাকে কুঁচো ইউনিট আর সেসব ঝেটিয়ে কমপ্লেকসে ঢোকার স্বপ্ন দেখে ভৈরবা বা প্রভাস । এর মধ্যে পর্দায় আসে দিশা পাটনি যিনি দর্শক কে দুধে ভাতে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকেন তাঁর স্বপ্ল্প উপস্থিতিতে। তাকে দেখেই বোঝা যায় কলি যুগ ঘোরতর রূপ ধারণ করেছে । সমগ্র বিশ্ব যখন সামান্য সবুজ আর এক পশলা বৃষ্টির মুখ দেখেনি কয়েক হাজার বছর , তখন হিরো খুনসুটি করতে করতে সবুজ পান কেড়ে খায় পাড়ার ঠাকুমার থেকে । কলি যুগ বলে কথা । এদিকে কাল কেলিয়ে কাল কেলিয়ে- বলে একদল মানুষ বিপ্লবী দল পাকায় অত্যাচারী সুপ্রিমের বিরুদ্ধে । অন্য দিকে পরীক্ষাগারে অজানা প্রয়োগে গর্ভবতী হন সুমতি ওরফে দীপিকা পাডুকোন আর তাঁর আসন্ন সন্তান কে রক্ষা করতে মহাভারতের অশ্বত্থামা হাজির হন পর্দায় । মহাভারতের ফ্ল্যাশ ব্যাকে দেখানো হয় তিনিই শ্রীকৃষ্ণের কলকি আবতারে সাহায্য করে মুক্তি পাবেন অমরত্বের অভিশাপ মাঝে । মিষ্টি পাউরুটি থেকে ছোট্ট ছাচি কুমড়োর মিষ্টিটা তুলে নেওয়ার মতো করে কপাল থেকে মনি খুলে তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় মর্ত্যে । সেই মহাভারতের বীর অশ্বত্থামা ভূমিকায় মহানায়ক অমিতাভ বচ্চন যিনি এই বুড়ো বয়েসেও গপ্ গপ্ করে সব ফুটেজ একাই খেয়ে নিলেন । তাঁর উপস্থিতিতে সবাই ম্লান । যাই হোক তরপর গল্প কিছুটা এগিয়ে চলে আর হঠাৎ শেষ হয়ে যায় "দেখা হচ্ছে পরের সপ্তাহে" , এই বলে ।
নিখুঁত ভি এফ এক্সে মোড়া এই সিনেমা শুধু থ্রি ডি তে দেখেই মজা পাওয়া সম্ভব ! বাড়িতে পাইরেটেড ডাউনলোডে এ সিনেমা রাবন-বধ যাত্রা পালা মনে হতে পারে । সিনেমায় প্রভাসের সেই স্টিরিও টাইপ বাহুবলী লুক, দিশা পাটনির কোমর থেকে নেমে যাওয়া প্যান্টুল আর চরম বোকা বোকা কিছু চিত্রপট । গল্পে দুই নায়িকার থেকেও নায়কের গাড়ির ডায়লগ বেশী আর অন্যতম ভিলেন চরিত্র মানস এর চরিত্রে কেমন যেনো মেয়ানো শাশ্বত চাট্টোপাধ্যায় ।
তবে সিনেমা যেভাবে রান আপ নিয়েছে তার আসল ডেলিভারী হবে দ্বিতীয় অধ্যায়েই ! আর অমিতাভ বচ্চন যেনো চোখের আরাম !
আপাতত পরবর্তী পর্ব যতক্ষন না আসছে ততক্ষন শুধুই অপেক্ষা - কাল কেলিয়ে 😃

 #লাপাত্তা_লেডিস                  গ্রামের কাঁকুড়ে রাস্তা ধরে রুদ্ধশ্বাসে সাইকেলে দৌড় দিচ্ছে দীপক আর পাল্লা দিয়ে তরতরি...
19/05/2024

#লাপাত্তা_লেডিস




গ্রামের কাঁকুড়ে রাস্তা ধরে রুদ্ধশ্বাসে সাইকেলে দৌড় দিচ্ছে দীপক আর পাল্লা দিয়ে তরতরিয়ে স্টেশন ঢুকছে ট্রেন। সাইকেল থেকে মুখ থুবড়ে পড়েছে সে পাশের কাশফুলের জঙ্গলে আবার উঠে দৌড় দিয়েছে সে। হারানো প্রাপ্তিতে কোন ব্যাগ জুতো কাপড় নয় একটা আস্ত বিয়ে করা মানুষ যেটা ট্রেনেই হাত ছাড়া হয়েছে দিন কয়েক আগে। ট্রেনের হওয়ায় আঁচল উড়ছে ফুল কুমারীর, আনন্দে সে আত্মহারা - স্বামীর ঘরে ফিরে সানন্দে ঘর করতে পাগল সে। অন্যদিকে আত্মপরিচয় স্থাপন করতে আত্মপরিচয় গোপন করে পুলিশ হেফাজতে জয়া ওরফে পুষ্পা। নিজের স্বপ্নের সাথে আপোষ করেও শেষমেষ দীপকের অজান্তে করা একটা ছোট্ট ভুলের জন্য আবার ফেরার আশা দেখছিলো লড়াইয়ের ময়দানে। সামান্য একটা সুযোগ চুরির দায়ে সে পুলিশ হেফাজতে। শীতের মধ্যরাত্রে ভাগ্যের মেলায় হারিয়ে যাওয়া দুই মেয়ে গল্পের শেষে তারা ফিরে যায় যে যার পছন্দের ঠিকানায়।
বিপ্লব গোস্বামীর গল্পের প্রেক্ষাপট কিন্তু স্মার্ট ফোন জমানার আগের সহজ সরল দিন গুলোর কথা মনে করায়। গল্প জুড়ে বাজলো সুন্দর একটা দোতারা। সিনেমায় নেই কোনো তাবড় মুখ বা চোখধাঁধানো ভি এফ এক্স! নায়ক বলতে শুধুই একটা ঝকঝকে গল্প আর একটা অসাধারন শিক্ষা - লড়াই করার শিক্ষা!
দীপকের ভূমিকায় স্পর্শ শ্রীবাস্তব, জয়ার ভূমিকায় প্রতিভা রান্তা, ফুল কুমারীর ভূমিকায় নিতানশি গোয়েল আজ পর্যন্ত জীবনের সেরা টা দিয়েছেন। দারোগার ভূমিকায় রবি কিষেনকে চলচ্চিত্র প্রেমীরা সারাজীবন মনে রাখবেন তাঁর অভিনয়ের জন্য ।
কিরন রাও এর পরিচালনায় সত্যজিৎ রায়ের ছাপ স্পষ্ট ধরা পরে ! হিন্দী সিনেমার জগতে এযাবৎ সাম্প্রতিক কালের অন্যতম সেরা সিনেমা "লাপাত্তা লেডিস"।।।।।

 !     ভরা কোর্ট রুমে সওয়াল জবাব লড়ছে বুদ্ধিদীপ্ত দুটো চোখ । গোটা গোটা সিক্সপ্যাক আর অজস্র মাসলস ওই ঠোঁট জোড়ায়। ঋত্ব...
05/05/2024


!

ভরা কোর্ট রুমে সওয়াল জবাব লড়ছে বুদ্ধিদীপ্ত দুটো চোখ । গোটা গোটা সিক্সপ্যাক আর অজস্র মাসলস ওই ঠোঁট জোড়ায়। ঋত্বিক চক্রবর্তী - সমগ্র ভারতীয় সিনেমা জগতের অন্যতম সেরা নির্ভেজাল চরিত্রাভিনেতাটি অ্যাডভোকেট অচিন্ত্য আইচ নাম নিয়ে সত্যিই তোলপাড় জুড়ে দিয়েছে আমার মনে! একটা মোটামুটি প্রেডিক্টেবল কন্টেন্টকে শুধু নিজের উপস্থিতিতে স্টার বানিয়ে দিয়েছে ছেলেটা । রহস্যের কিনারা করতে গিয়ে সে নিজেই গোয়েন্দা - অনেকটা জলি LLB বা জগদীশ মিশ্রার মতো, তবে পুরোটা কখনোই নয়! আলাদা একটা ঘরানা তৈরী করে দর্শককে বাধ্য করে পরের সিরিজে মুখিয়ে থাকতে !
পরিচালক জয়দীপ মুখার্জি কে ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি ছবি বানানোর জন্য!

Hoichoi

12/01/2024

Thank you Vidhu Vinod Chopra Films 🙏

 #সালার       বৈচিত্র বড়ো বেয়াড়া বস্তু । প্রয়োজনে নিষ্প্রয়োজনে কার্যকর ও হাস্যকর দুই হতে পারে ।  মনে পড়ে ছাত্রাবস্থায...
05/01/2024

#সালার




বৈচিত্র বড়ো বেয়াড়া বস্তু । প্রয়োজনে নিষ্প্রয়োজনে কার্যকর ও হাস্যকর দুই হতে পারে । মনে পড়ে ছাত্রাবস্থায় শোনা একটি ইংরেজি ভার্স বঙ্গানুবাদকালীন একটি দুর্ঘটনা কাহিনীর কথা । Hellena Said " My father , get on the bed." উত্তরে ক্লাসে সকলে লিখল , হেলেনা বলল , বাবা বিছানায় উঠুন। সকলেই তাই লিখল কিন্ত বৈচিত্র প্রিয় এক ছাত্র সুস্বাদু সাধু ভাষায় লিখেছিলো , হেলেনা কহিল , আপন বাপন চৌকি চাপন ! সে প্রসংগ ভিন্ন সেবার বঙ্গানুবাদে সে শূন্য পেয়েছিলো কিন্ত কে .জি এফের বিচিত্র বিকল্প এইচ আই জে বা সালার তেমনই হাস্যকর অনুবাদ। সেই কয়লাখনি , সেই মা । সেই কালো স্যান্ডো গেঞ্জি পড়া গরুরা , শুধু কাটা মাথা জুড়ে নাম হয়েছে রুদ্রা । প্রায় এক হাজার বছরের সাজানো প্লট যার কেন্দ্রে খানসার নামের এক কাল্পনিক স্থান যা ১১২৭ সাল থেকে সৌরাঙ্গ, মান্নার আর ঘানিয়া প্রজাতির ডাকাতের দলের Apple of Discord. ঠিক যেমন KGF কে নিয়ে ছিলো । সবার গাল ভর্তি দাড়ি আর মাথা ভর্তি ঝাঁকড়া চুল। কেউ সাবান মাখে না , মাথায় তেল দেয়না । ঠোঁটফাটা বোরোলীন হীন খানসারে ক্ষমতাবানেরা নাকে নোলক পড়ে আর হাতে পড়ে চুরি । নোলক খুলে নেয়া আর প্যান্ট খুলে নেয়া সমান এখানে , আর বন্ধুর খোয়ানো নোলক ফেরত পর্বেই হাজির নায়ক দেবা ওরফে প্রভাসের। বাহুবলীর ইনজেকশনে সে আজও পরম শক্তিমান ও আপারেজেয় । সে বার বার বুলেট চালিয়ে ফিরে আসছে কিন্ত কোথাথেকে যে আসছে কেউ জানে না । বাড়িতে মানসিক ভারসাম্যহীন দিদিমণি মা আছেন যিনি ছাত্র পড়াতে এতটাই ভালোবাসেন যে ইস্কুলে না এলে শুধু ছাত্র কেই না , ছাত্রর বাপকেও ঠ্যাঙান ! গুজরাট এর বগলে ফুসকুড়ির মতো খানসার নাকি দেশের অংশই নয় অথচ খানসারের নাকি সারা দেশে এন্ট্রি । তাদের গাল তোবড়ানো কংকালের লোগো দেখে পুলিশ প্রশাসন হেগে ফেলে । মহিলা ভিলেন নিজের মনে বিড়বিড় করে , মাঝে মাঝে মাথা ঝাঁকায় । খানসারে লোকের হাতে স্মার্ট ফোন কিন্ত চতুর্দিকে অন্ধকার। রোদ্দুর ঝলমলে সকাল নেই এখানে । জন্মদিন থেকে বিয়ে বাড়ি , ভাত বাড়ি থেকে ছট পুজো - সব কিছুই অন্ধকারে হয় । কালো এদের জাতীয় রং । জাঙ্গিয়া থেকে পায়জামা , গেঞ্জি থেকে বেনারসী - সব কালো । তবে এই অন্ধকারে একমাত্র আলো প্রভাস,তাঁর উপস্থিতি ফেভিকলের মতো আটকে রাখে দর্শককে । শ্রুতি হাসান প্রথম ভাগে শুধু গল্প শুনেই কাটিয়ে দিলেন হয়তো পরের ভাগে গল্প হবেন। ধুমধাড়াক্কা মারপিটে গল্প একটু গড়াতেই সিনেমা খতম। এখন হবেনি পরে এসো বলে প্রথম ভাগ শেষ ।
আপাতত বাহুবলী ও কেজিএফ এর জরাজীর্ণ অনুকরনের শেষমেশ পরিণতি কি হয় তার জন্য অপেক্ষা । তবে কে জি এফ যারা দেখেনি বা যাদের দেখে ভালো লেগেছে তাদের জন্য সালার সিনেমাটি একেবারে সুষম খাদ্য।

01/01/2024

অনেকের অনুরোধে নতুন বছরে নতুন করে Page বানালাম। সিনেমার গল্প গুলো এক যায়গায় করতে
#সিনেম্যানিয়া_Cinemaniac
😄 জানি এই বালখিল্যপোনাটি নিরর্থক, তবুও যুগের হাওয়া । উড়েই দেখি কেমন লাগে 😍

😊

https://www.facebook.com/profile.php?id=61555334032485&mibextid=2JQ9oc

Movie Review ! Movie Roast

 #রকি_অউর_রানীকি_প্রেম_কাহিনী Dharma Productions Karan Johar Tota Roy Choudhury   Rocky Aur Rani Kii Prem Kahaani ধুম জ্...
31/12/2023

#রকি_অউর_রানীকি_প্রেম_কাহিনী
Dharma Productions
Karan Johar
Tota Roy Choudhury

Rocky Aur Rani Kii Prem Kahaani

ধুম জ্বর গায়ে প্যারাসিটামল সাড়ে ছশো চাপিয়ে ঘরেই দেখছি রকি রানীর প্রেম কাহিনী । ধন্যবাদান্তে টেলিগ্রাম , যদিও সুস্থ থাকলে অবশ্যই সিনেমা হলেই দেখতাম।
আদ্যোপান্ত টিপিকাল করণ জোহরের সিনেমার মতোই গল্পে ঠাসা ইমোশন আর হালকা উইট। ঝাঁ চকচকে সেট , চতুর্দিকে বড়লোকেদের ভীড় আর সিনেমা জুড়ে সবার ভুল ভাল বাংলা আর পাঞ্জাবি বলার হিড়িক। সবাই জুতো পড়ে শুতে যায় , কোর্ট পড়ে বাথরুমে ঢোকে আর গা ভর্তি গয়না গায়ে রান্না করে । লুংগি , নাইটি , হাফ প্যান্ট , ছাপা শাড়ি - ম্যাগো এসব গরীবের জিনিস ! সিনেমায় তার কাটা অশিক্ষিত হিরোর ভূমিকায় মানানসই রণবীর সিং আর দাজ্জাল বুড়ির ভূমিকায় পর্ফেক্ট্লী ভাবে মানিয়ে যাওয়া জয়া বচ্চন। সিনেমা জুড়ে সারাক্ষণ পরিবার পরিবার বলে আওড়ালেও রণবীর আর আলিয়ার দয়ায় , পরিবারের সাথে এই সিনেমা খবরদার দেখার মতো না । দাদুর ভূমিকায় সাতাশি বছরের ধর্মেন্দ্রজিও অসাধারণ আর সাথে শাবানা আজমিও। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন চূর্ণী গাঙ্গুলিও তবে সবথেকে বড় আবিষ্কার টোটা রায়চৌধুরী । সিনেমা দেখতে দেখতে মনে হতে পারে টু স্টেটস দেখছি তবে এখানে তার সুপারলেটিভ ডোস। ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের যুযধান বোঝাতে গিয়ে চরম ব্যতিক্রমী উদ্ভট মানসিকতার আমদানি ওই করণ জোহরের পক্ষেই সম্ভব। টোটার কত্থক , শাবানা আজমির রবীন্দ্রসংগীত শান্ত্বনা দেয় রণবীর সিংয়ের সেই একঘেঁয়ে গতে ধরা অভিনয় যন্ত্রণায় । তবে ব্যাকগ্রাউন্ডে ক্রমাগত বাজতে থাকা রবীন্দ্রসংঙ্গীত আর ঢাকের শব্দে মনটা কেমন পুজো পুজো করে ওঠে । মোটের উপর সিনেমার শেষে ঠোঁটে একচিলতে হাসি লেগে থাকে , ব্যাস ব্যাস ওতেই হবে ॥ হিন্দি সিনেমার দুর্দিনে এই যথেষ্ট , নইলে যখন রবি ঠাকুরকে রণবীর যখন দাদু বলে ডাকলো খালি পা না থাকলে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে দিতুম ॥ 😁

 #রাম_সেতু  নতুন শীতে আন্দুল রোড সাড়ে এগারোটা বাজতে না বাজতেই নিশুতি । সিনেমা শেষে কিছু মানুষ বেজার মুখে টোটোর অপেক্ষায়...
31/12/2023

#রাম_সেতু

নতুন শীতে আন্দুল রোড সাড়ে এগারোটা বাজতে না বাজতেই নিশুতি । সিনেমা শেষে কিছু মানুষ বেজার মুখে টোটোর অপেক্ষায় । মুখ চোখ দেখেই বোঝাই যাচ্ছে মনে ধরেনি কিছুই আর সাথে আনা বাড়ীর ঠাকুমার অবস্থা আরও করুন । ভেবেছিলেন হয়তো হলে বসেই কপালে হাত ঠেকিয়ে শাঁখ বাজাবেন , তবে যতদূর অন্ধকারে দেখলাম ইন্টারভ্যালের পরে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছিলেন । সাহস করে ছেলে বউ আর ঘুম থেকে ডাকেনি। তবুও ঠাকুর যদি পাপ দেয় সেই ভয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে সকলেই বলল ভালোই তো হয়েছে । কিন্তু মিথ্যে বললেও যে শ্রী রাম পাপ দেন ! তাই অক্ষয় কুমারের ডাই হার্ট ফ্যান হওয়া সত্বেও বলছি - এতো নিম্নমানের সিনেমা আমি সাম্প্রতিক কালে একটাও দেখিনি ।
সিনেমার ভি এফ এক্স ইউ টিউবের ঠাকুমার ঝুলির গল্পের থেকেও খারাপ । এর থেকে ছোটোবেলায় হারিকেনের সলতে কমিয়ে বাড়িয়ে অনেক ভালো ভি এফ এক্স সন্ধ্যে বেলা পড়তে বসে করতাম । সিনেমার সেটে টেরা ব্যাঁকা গুহার ভিতরের অংশ , পাড়ার কালী পুজোর প্যান্ডেল দেখলেও লজ্জা পাবে । আর গল্প ? শ্রী রামের নাম ব্যবহার করে ভিতরে আস্ত একটা গরু রচনা লেখা । রাম সেতু ঐতিহাসিক না প্রাকৃতিক সেটার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে সম্পূর্ণ বিশ্বাস হারিয়েছে পরিচালক । মাত্র আটচল্লিশ ঘণ্টার সময়ের ব্যবধানে অক্ষয় কুমারের দুধ সাদা দাড়ি দুবার বেড়েছে তিনবার চিকন হয়েছে । সমুদ্রের দুশো ফিট নিচে ঝকঝকে রোদের আলো আর জলে ভাসা রাম শিলা ছোট্ট টেস্টটিউবে এসে ডুবে গেলো । বাংলা সিরিয়ালের নায়িকারাই বরকে গোমড়া মুখো , ছোটোকত্তা বলে ডেকে ট্রোলড হন , এদিকে সিনেমা জুড়ে বউকে প্রফেসর বলে ডেকে গেলো অক্ষয় কুমার । সিনেমার শেষে নায়ক রাম সেতুর ভারডিক্টের দিনে হাজির সুপ্রিম কোর্টে, তাও বিলেত থেকে আধাঘন্টায় ত্রিকুট পাহাড়ের চুড়ো থেকে নেমে কলম্বো এয়ারপোর্ট হয়ে এবং পাসপোর্ট ছাড়া প্লেনে চেপে আর সুপ্রিম কোর্টের জুড়িরা বিরোধী পক্ষের উকিলকে সরিয়ে অক্ষয় কুমারকেই বলল আপনি বলুনতো কাকা কেস টা নিয়ে কি জাজমেন্ট দেবো ! উফফ ভাভাগো 😂!!
এ সব আঘাত থেকে ঘোর কাটার আগেই পরিচালক উন্মোচন করলেন হনুমানজি কে , যিনি অঞ্জনি পুত্রের আদ্যক্ষর এপি নামে ছায়াসংগী হয়েছিলেন নায়ক আর তার দলবলের । এই বলেই ব্যাস সিনেমা খতম ।
মোদ্দাকথা ,
শুধুমাত্র ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে এনক্যাশ করার অসদুদ্দেশ্য নিয়ে তৈরী হয়েছে সিনেমা যার সাথে গল্পের শিরোনামের তেমন যোগসূত্ৰই নেই৷
যাই হোক এসব ভাবতে ভাবতে সত্যি প্রচন্ড কাঁপ দিচ্ছিলো বাইক চালাতে চালাতে । সত্যিই তো সেই কবেকার অক্ষয় কুমারের ফ্যান , কিন্তু ওস্তাদ আজ যা হাগান হাগলো সিনেমার পর্দায় , জীবনে ক্ষমা করবো না ।😭😭😭

 #পুষ্পা  #অতিরঞ্জিত_তেলেগু_সিনেমার_হিন্দিগু_ভার্সান #তেলেগু_মসলায়_বুক_জ্বালা  #চন্দন_দস্যুর_রোমান্টিক_গল্প  #ম্যায়_দেখে...
31/12/2023

#পুষ্পা
#অতিরঞ্জিত_তেলেগু_সিনেমার_হিন্দিগু_ভার্সান
#তেলেগু_মসলায়_বুক_জ্বালা
#চন্দন_দস্যুর_রোমান্টিক_গল্প
#ম্যায়_দেখেগা_নেহি_শালা
#অনবদ্য_আল্লু_অর্জুন

গল্পের প্রেক্ষাপট আন্ধ্রপ্রদেশ পূর্বঘাট পর্বতের শেসাচম্বল জঙ্গল। গল্পের সূত্রধরের বর্ণনা অনুযায়ী প্রথমেই কার্টুন ফিকশনে দৃশ্যত গল্পের ক্লাইম্যাক্স যেখানে জাপানি বর তার নতুন কোনে কে দিচ্ছে তানপুরা।আর সেই তানপুরার কাঠের ব্যুত্পত্তি ও উত্পত্তি দেখাতে গিয়ে দর্শক কে হিড়হিড় করে টানতে টানতে পরিচালক হাজির করে শেসাচম্ব্লের জঙ্গলে।সেখানে হিরো এক গাড়ি টমেটো লুকিয়ে লুকিয়ে নিয়ে যেতে যেতে ধরা পড়ে পুলিশের হাতে তারপর পুলিশকেই ধরে মারতে মারতে বাড়াতে থাকে নিজের মুক্তি পনের দর।পুলিশ যতো হারতে থাকে ততই বাড়াতে থাকে দাম। যুক্তি খুঁজতে গিয়ে যখন অসুস্থ বোধ করছি তখন দেখি মাথা পিছু এক লাখ টাকা করে দিয়ে হিরো পুলিশের গাড়ি থেকে নেমে হারিয়ে যায় জঙ্গলে । এদিকে হিরো বাবুটিও অদ্ভুত। তার ঘাড়ে একটা সমস্যা আছে । দাঁড়িপাল্লার একদিকে বাটখারা রেখে হাত ছেড়ে দিলে যেমন তেমন করে ঘাড় এক দিক উঁচু করে হাঁটে সে। উল্টো হাত দিয়ে খালি খালি দাড়ি চুলকায় । নাচতে গিয়ে বার বার চটি খুলে যায় আর কিছু তেই ঝুঁকতে চায় না। কাজের কিছু নেই সারাক্ষণ বকাল বাজি । শেষমেষ নাম লেখায় লাল চন্দনের স্মাগলারদের দলে । যেমন করে বাহুবলী তে নায়ক ডেকোরেটর প্যান্ডেলের কাপড়ে পেট্রোল ঢেলে শত্রু মারার ইউনিক প্ল্যান বার করেছিল ,এখানেও হিরো কাঠের চোরা চালানকারী দের বাদলে দেয় স্মাগ্লিং করার বিভিন্ন অভাবনীয় পদ্ধতি । কখনও দুধে গুলে নয়তো কখনও বর যাত্রীদের তস্রিফের নিচে দিয়ে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে যায় লাল চন্দন। বকালবাজ পুষ্পর মাঝে মাঝেই মনে হয় পুষ্প নাম শুনে তাকে সবাই তাকে পুষ্প ভাবে ,আসলে সে ছাই চাপা আগুন । আগুন বলতে মনে পড়ল নায়িকা শ্রীভল্লী ওরফে রশ্মিকা মান্দানার কথা । লক্ষনীয় , গল্প বিহীন এই সিনেমার গল্প জুড়ে সব নারী চরিত্রের খালি খালি আঁচল খুলে পড়ে যায় মাটিতে। হয়তো জঙ্গলের পড়ার দোকানে সেফটিপিন পাওয়া যায় না বলেই পরিচালক ও নায়িকারা এই সমস্যার শিকার । গল্পের পরিচালক সুকুমার প্লট নিয়ে গোল কিত কিত খেলতে খেলতে বার বার নিয়ে যায় পুষ্পর কুঁড়িবেলায় আর প্রমাণ করতে চায় পুষ্প ছোটোবেলাতেও কখনও চুল কাটেনি। অখাদ্য সব সিকুয়েন্স পেরিয়ে পুষ্পর পরের সিনেমার প্লট রেডি করার জন্য হাজির করা হয় এক টাক মাথা পুলিশ অফিসার কে। দু মিনিটের চোর পুলিশের ভাব ভালোবাসার ইতি টেনে পুষ্প জাঙ্গিয়া পড়ে বাইক চেপে হাজির হয় বিয়ে করতে আর পুলিশ ও হাফপ্যান্টে হাজির হয় থানায়। নায়ক পুষ্প
বিয়ের পিঁরিতেও বউকে বুঝিয়ে বলে - ঝুকেগা নেহি শালা। বোঝো ঠ্যালা।

আদ্যোপান্ত এই অবান্তর পুষ্প সিনেমাটিকে নিয়ে এতো মাতামাতির কোনো কারন খুঁজে পেলাম না। গানের হিন্দি ভাষা যতোটা অদ্ভুত ততটাই অশ্রাব্য তার সুর । অভিনয় নিয়ে কোনো কথা হবে না- কারন আল্লু অর্জুন তাঁর নায়কোচিত ভাব ভঙ্গিমায় অসাধারণ।তবে গল্পের চিত্রনাট্য একেবারেই পাতে দেয়ার না।

তবে একটা জিনিস একদম নিশ্চিত। আবার কেউ ফ্রি তে অফার দিলেও - #দেখেগা_নেহি_শালা।😝

 #টাইগার_থ্রি 🐯🐯🐯 #বাঘের_রোলে_বাঘরোল   🐯🐯🐯       সিনেমায় অন্তত  একশো বার "মুল্ক খতরে মে হ্যায়" বলতে বলতে পাকিস্তানের স...
31/12/2023

#টাইগার_থ্রি 🐯🐯🐯
#বাঘের_রোলে_বাঘরোল
🐯🐯🐯


সিনেমায় অন্তত একশো বার "মুল্ক খতরে মে হ্যায়" বলতে বলতে পাকিস্তানের স্বার্থে পাকিস্তানি সৈন্যদের কচু কাটা করেছেন নায়ক। কি দিয়ে মারেননি ! কখনও সিলভারের থালা তো কখনও এক আঁটি পালং শাক। একেবারে সেঁকে দিয়েছে টাইগার ভাই।

গল্পের শুরু যথারীতি বছর বারো আগের ফ্ল্যাশব্যাক দিয়ে । ছোট্টো ক্যাটরিনা ক্যারাটে রিনা হওয়ার আগেই পিতৃহারা আর তাকে ভবিষ্যৎ টেররিস্ট বানানোর অভিসন্ধি নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে ইমরান হাশমী মানে হবু ভিলেন। বোঝা গেলো সমস্যা এবার দেশে না , পড়শীদের ঘরে । শ্বশুরবাড়ীর ঘোরতর বিপদের দিনে ভরদুপুরে কে টি এম নিয়ে পাকিস্তানের রাস্তায় হাজির জামাই অবিনাশ ওরফে টাইগার ওরফে সালমান। অভিযানের নাম মিশন টাইমপাশ 😂 ! লুংগি চেক রুমালটা মুখে জড়িয়ে মৃত্যুন্মুখ বন্ধুকে বাঁচাতে এসে যেইনা মুখটা দেখা গেছে, বুঝলাম হলের মধ্যে একদল মানুষ দেবদর্শন পেয়েছেন । এদিকে হাততালি , ডিগবাজি ও সিটি দিয়ে বন্দনা শুরু হয়েছে আর ওদিকে ঘরের উঠান, রান্নাঘর , গ্যাসের ওভেন , ভাতের হাঁড়ি টপকে বাইক নিয়ে বন্ধুকে চাপিয়ে এগিয়ে চলেছেন টাইগার। বেশ কিছু দূর এগিয়ে যাওয়ার পর আকাশবাতাস কাঁপিয়ে হাজির হেলিকপ্টার আর তাতে বন্ধুকে সুরুত করে ঢুকিয়ে দিলেন তিনি তারপর স্লো মোশনে চার তলার ছাত থেকে ঝাঁপ মেরে চলন্ত হেলিকপ্টারের ব্লেড গোলে বনগাঁ লোকালের মতো হেলিকপ্টারের হ্যান্ডেল ধরে ঝুলতে ঝুলতে উড়ে গেলেন সলোমন ভাই । এবার একদম অস্ট্রিয়া । টাইগার বলে কথা , তাই তিনি সকালে দিল্লি , বিকালে ইস্তানবুল , সন্ধ্যের দিকে ইসলামাবাদ আর রাতে খাবার খেতে অস্ট্রিয়ায় ফেরেন। যাই হোক শেষমেশ গল্পের স্বার্থে ঘাঁটি গাড়েন ইসলামাবাদেই আর শুরু হয় রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম (কিসের জন্য ঠিক বোঝা যায়নি) । তবে পড়শী দেশকে নিয়ে যে চিন্তা আমায় খেয়ে নিচ্ছিলো সেই সমস্ত কিছুকে বিসর্জন দিলাম আজ। কয়েক হাজার এ*কে৪৭ , রকে*ট লঞ্চার নিয়েও তারা শত্রুকে টারগেট করতে পারেনা । এমনকি রথের মেলায় দশ টাকায় পাঁচটা গুলি ছুঁড়ে বেলুন ফাটিয়ে এরা একটা চামচও পেতে পারবেনা এমনিই তাদের দৈনতা । প্রায় আড়াই ঘণ্টার গুলির লড়াইএর মাঝে পাইরেটস অফ ক্যারিবিয়ানের জনি ডেপের সাজে হাজির শাহরুখ খান ওরফে পাঠান। কিছুটা নেশাগ্রস্থ অবস্থায় অসংলগ্ন কথা বলে ফানুস চড়ে আবার পাহাড়ের দিকে উড়ে গেলেন তিনি । হিরো দের একশান দৃশ্যে হাততালিতে যখন ফেটে পড়ছে গোটা হল তখন নায়িকার সাথে খলনায়িকার তোয়ালে সংঘাতে টানটান উত্তেজনায় দর্শকরা স্থবির । যাই হোক শেষে অক্ষত তোয়ালেতে নায়িকার জয়ে হতাশ হতে হলো দর্শকদের তারপর আবার দৌড় শুরু হলো বাঘ ও বাঘিনীর। শেষ মেষ অনেক ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ১৪ই আগস্টের দিনে ওদের #সবুজ_কেল্লায় দাঁড়িয়ে ভারতের প্রশংসা করলেন এবং "দিল দিল পাকিস্তান" বাজাতে আসা ডিজে টিম গোলাগুলির মাঝে "জন গণ মন" সুর তুলে পাকিস্তানের স্বাধীনতার মঞ্চে বাজিয়ে দিলো । আর তা দেখে সদ্য বিশ্বকাপথেকে বিদায় পাকিস্তানিদের আছাড় খাওয়া টিভি গুলোর সামনে কেঁদে ভাসালো আপামর পাকিস্তানি জনতা ।
এইভাবেই টাইগারের দয়ায় পাকিস্তানিদের হাত থেকে পাকিস্তানিরা এবারের মতো বেঁচে গেলো ।
হ্যাঁ । ঠিকই পড়েছেন।
ধন্যবাদ। মাথা ব্যথা করছে? আমারও করছে ! 😭

 #পাঠান   #গল্পের_গাধা 😜লোম খাঁড়া  হয়ে যাওয়ার মতো একশান দৃশ্য।  নায়কের চরিত্রে শাহরুখ আর ভিলেনের ভূমিকায় জন আব্রাহাম...
31/12/2023

#পাঠান
#গল্পের_গাধা
😜

লোম খাঁড়া হয়ে যাওয়ার মতো একশান দৃশ্য। নায়কের চরিত্রে শাহরুখ আর ভিলেনের ভূমিকায় জন আব্রাহাম ওরফে জিম । একটা টাটা চারশো সাত আর দু দুটো পেল্লাই হেলিকপ্টার। টাটা চারশো সাতের উপরে একটা সিলিং ফ্যান ঝোলানো হুক আর গরু বাঁধার মতো করে দু হাত দিয়ে হেলিকপ্টার দুটোকে টেনে চারশো সাতের ছাদের সেই হুকেই আটকে দিলো খলনায়ক। হল ভেঙ্গে পড়লো হাততালি তে । উরিব্বাবা । এলোকেশী পাঠান দেশ রক্ষার্থে ডিফেন্স পেনশনার নিয়ে দল করেছে আর তাদের ফুলন দেবী ডিম্পল কাপাডিয়া । দলের নাম দিয়েছে - জোকার 😂 । খলনায়ক জন একজন প্রাক্তন আর্মি যে পরিস্থিতির শিকার হয়ে দেশের বিরুদ্ধে এবং মরে গিয়েও অজানা রকম ভূত - ছোট্ট করে
#জীবন্ত_অশান্ত_মৃত_আত্মা 😜!
নায়িকা রুবিয়া মানে দীপিকা পাড়ুকোন , একজন প্রাক্তন আই এস আই এজেন্ট এবং জনের সাথে এক পুকুরে চান করে আর ঘাটে গিয়ে তাদেরকে একসাথে দেখে মন খারাপ হয়ে যায় পাঠানের। জন যেনো জ্যোতিষ শাস্ত্রী জয়ন্ত , কি হবে সব জানে । সে লেলিয়ে দেয় রুবিয়া কে আর রুবিয়া পাঠানে মিলে ঠিক করে দু ঘটি রক্তবীজ চুরি করবে রাশিয়ার এক ভয়ংকর উঁচু বাড়ী থেকে । অফিসারের হাতের ছাপ দাবনায় নেয়া থেকে শুরু করে , গ্যাস বেলুন দিয়ে হেলিকাপ্টারে ঝোলা তারপর হেলিকাপ্টার থেকে দোলা দোলা খেলে শেষ মেষ নায়ক নায়িকা পৌঁছায় লখিন্দরের ফুলশয্যার ঘরে আর দুঘটি রক্তবীজ নিয়ে রুবিয়া লাত মারে পাঠান কে আর টাটা বলে পালায় সেখান থেকে । মনে হয় সোজা সিঁড়ি দিয়ে নেমে আলমপুর হাওড়া একষট্টি ধরে , কারন এত্ত হাই সিকুরিটি জোনে কেউ তাকে জিজ্ঞেস করেনা বৌদি ঘটি জোড়া নিয়ে চললে কোথায় ! হল জোড়া দর্শক তখন গাঁজা গাছের মগডালে আর নেশার চোটে পাঠান পাঠান করে চিৎকার করছে । এমন সময় হঠাৎ সালমান খান ঢুকে পড়লো সেটে আর আমরা গাঁজার গাছ ছেড়ে ঢুকলাম গাঁজার জংগলে । একশানের চোটে ফ্রিকশন কে ঘায়েল করে নিউটনকে গলায় মালা দিলো দুজনেই, তারপর আসছি বলে কেটে পড়লো টাইগার। কোত্থেকে এলো কিভাবে এলো আর কোথায় গেলো জিজ্ঞেস করলেই তুমি বয়কট গ্যাং 😄! গল্প দৌড়াচ্ছে আর ফড়িংএর মতো উড়ছে হেলিকপ্টার , বৃষ্টির মতো ঝড়ছে গুলি । নায়ক এখানে যমের অরুচি - ঘাসের উপর গড়াগড়ি দিলে গুলি লাগেনা , গায়ে একটা টিন চাপা দিলে গোটা গ্রেনেড কিছু করতে পারেনা , হেলিকপ্টার ব্লাস্ট করলে শুধু লাইফ জ্যাকেট ছেঁড়ে মানুষ অটুট থাকে - এরকম অনেক শিক্ষে হবে পাঠান দেখলে ।
গল্পের শেষে সেই টিক টিক ঘড়ি আর মিশাইল ফাটার আগে শেষ মুহূর্তে সুইচ টেপা । নতুন হাঁড়িতে সেই পুরাতন চাল। পাঠান সিনেমায় নতুন বলতে ষাটের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা একটা লোকের ফিরে আসার আপ্রাণ প্রচেষ্টা আর ফাটাফাটি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউসিক। বাকিরা সব জাতীয় বেকার স্বরোজগার যোজনার আওতায় ।

Address

Andul
Howrah
711302

Telephone

+919051306521

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সিনেম্যানিয়া- CineManiac posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category