Abayab Kolkata

Abayab Kolkata Theatre The group's early productions were “Abhagir Swargo”, “Jala” etc. Mr. Raja Mitra , a well known director is still an integral part of our team.

Abayab kolkata's story begins in 1990, when Sachin Bhattacharjee, playwright of the well known play “ Ekka garir ghora” & Jyotirmoy Mandol a renowned novelist & playwright along with a collection of committed theatre person, formed the group, which consisted of Arati Srimol, Chanchol Bhattacharya, Sankha Bhattacharya, singer Subir Sen, & others. In 2011, a new era started, and Abayab Kolkata tur

ned from a pure performance-oriented theatre group to an organization. Now, it is a south kolkata based theatre group, where we aim at producing from heart."Abayab Kolkata" is proud of its reach & varied heritage, famous actor Satya Bandopadhyay well known for films like "Joy Baba Felunath", "Ganashatru", "Sannyasi Raja", "Jana Aranya" etc was one of the pioneer; still today we have famous Actor/Director, Tridib Ghosh, well known for plays & jatra, heading the team. Ghosh acted in various serials & films like "Paribarton", "Khallas", "Sasurbari Zindabad" etc. Presently he is playing the role of Guru Bhagaban Ganguly in "Jai Baba Loknath" (Rupashi Bangla). We also have Mr, Manoj Das whose plays are equally famous in A.I.R still today. Abayab Kolkata welcomes you all who are interested in theatre. Our past productions include the well known play & telefilm "Matha" and some other plays like "Ghure Asi", Ami Suranjan", "Choto Didimini", "Sainik Asey", etc. Our next aim lies with "Dhormer Gyarakol" which we are still rehearsing. Our group invites rare talents like you who will surely be one of our asset in coming future. Contact: Tridib Ghosh (President)
Jyotirmoy Mandol (Secretery)
Sujay Chakraborty (Treasurer)

দেখুন দূরদর্শনের পর্দায় , ১লা জানুয়ারী,২০২৫ রাত ৮ টায় শ্যামসুন্দর বেনেগল পরিচালিত ছায়াছবি "মন্থন''। ছবিটি তৈরী হয়েছ...
31/12/2024

দেখুন দূরদর্শনের পর্দায় , ১লা জানুয়ারী,২০২৫ রাত ৮ টায় শ্যামসুন্দর বেনেগল পরিচালিত ছায়াছবি "মন্থন''। ছবিটি তৈরী হয়েছিল ৫০০০০০ লক্ষ কৃষকের কাছ থেকে সংগৃহীত অনুদান বাবদ অর্থ থেকে।

রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত "একটি জীবন" ছায়াছবি স্রষ্টা চলচ্চিত্র পরিচালক রাজা মিত্র ভালো নেই! তাঁর সহধর্মিণীও ভালো নেই...
27/11/2024

রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত "একটি জীবন" ছায়াছবি স্রষ্টা চলচ্চিত্র পরিচালক রাজা মিত্র ভালো নেই! তাঁর সহধর্মিণীও ভালো নেই, বেশ কিছুদিন হ'লো তিনি চিকিৎসাধীন ও শয্যাশায়ী। তাঁদের একমাত্র সন্তান রৌদ্র মিত্র আমাদের জানাচ্ছেন...
"নমস্কার।
রৌদ্র মিত্র বলছি, রাজা মিত্রর ছেলে।
আজ বায়োপসি রিপোর্টে বাবার ক্যান্সার (ম্যালিগন্যান্ট) ধরা পড়েছে, লাস্ট স্টেজ। ফুসফুসের ক্যান্সার ও সাথে ব্রেনে টিউমার ধরা পড়েছে।
বাবা এখন চিকিৎসাধীন।
এই অবস্থায় বাবার সাথে মেইল, মেসেজ, ফোন এবং ফেসবুকে কোনোভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হবে না।
বাবার এই অসুস্থতায় কোনো প্রয়োজন হলে আপনাদেরকে পাশে থাকার অনুরোধ করছি।"
**আমরা আমাদের প্রিয় সুহৃদ ও বাংলার এই বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক, কবি রাজা মিত্র-এর অতি দ্রুত রোগ মুক্তির কামনায় ইহ জগতের রূপকার পরম অন্তরতর শক্তির কাছে আকুল প্রার্থনা জানাই।

24/11/2024

"ওরে নীল দরিয়া
আমায় দেরে দে ছাড়িয়া..."
গানটি ব্যবহৃত হয়েছিল সারেং বৌ চলচ্চিত্রে।
শহীদুল্লাহ কায়সার লিখিত 'সারেং বৌ'(১৯৬২) উপন্যাসটি চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয় ১৯৭৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান 'গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ' নামে নতুন রাষ্ট্রের রূপান্তরিত হ‌ওয়ার পর। আয়ুব খাঁর শাসন কালে শহীদুল্লাহ কায়সার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় এই উপন্যাসটি লিখেছিলেন।তিনি এই ব‌ইটি লেখার জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার পান। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় ১৯৭১সালের ১৪-ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তাঁর ঢাকার বাসা থেকে তাঁকে অপহরণ করে নিয়ে যান তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কিন্তু আর তিনি আপন গৃহে ফিরে আসেননি।মনে করা হয় অপহরণ কারীরা তাঁকে হত্যা করেছিল।
এই "সারেং বৌ" চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত নীচের উল্লিখিত গানটি ...
"ওরে নীল দরিয়া
আমায় দে রে দে ছাড়িয়া
বন্দী হইয়া মনোয়া পাখি... হায়রে..
কান্দে রইয়া রইয়া..
কাছের মানুষ দূরে থুইয়া
মরি আমি ধড়-ফড়াইয়া,রে।
দারুণ জ্বালা দিবা নিশি অন্তরে অন্তরে।
আমার এত সাধের মন বধূয়া
হায়রে কি জানি কি করে...!"
ছবি: সারেং বৌ চলচ্চিত্রে কবরী

স্মরণে শতবর্ষের আলোকে ঋত্বিক কুমার ঘটক প্রণীত "মেঘে ঢাকা তারা"... এক কাব্যিক নামের ছায়াছবি ....দেশ ভাগের বলি উদ্বাস্তু ...
05/11/2024

স্মরণে শতবর্ষের আলোকে ঋত্বিক কুমার ঘটক প্রণীত "মেঘে ঢাকা তারা"... এক কাব্যিক নামের ছায়াছবি ....দেশ ভাগের বলি উদ্বাস্তু কন্যা নীতার মৃত্যু...আমাদের হাহাকার!
-'দাদা, আমি কিন্তু বাঁচতে চেয়েছিলাম!দাদা,আমি কিন্তু সত্যি সত্যি বাঁচতে চেয়েছিলাম।দাদা, আমি কিন্তু বাঁচতে বড় ভালোবাসি।...দাদা, আমি বাঁচব'! দাদা, আমি বাঁচবো।...'দাদা তুমি একবার বলো আমি বাঁচবো।
-নার্স !
-দাদা, আমি বাঁচবো, দাদা আমি বাঁচবো।দাদা, আমি বাঁচবো।
-খুকীই!
--দাদা, আমি বাঁচবো।দাদা, আমি বাঁচবো।
১৯৬০ সালের কলকাতা শহরের কাছের এক উদ্বাস্তু উপনিবেশের যুবতী কন্যার আর্তনাদ!'দাদা,আমি বাঁচবো।'
ওর নাম ছিল নীতা।তাকে ওর দাদা ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা করিয়েছিল।স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে ওর সেবার জন্য নার্স রেখেছিল।ওর দাদা ভেবেছিল বোন তার মরবে না হয়তো।কিন্তু পদে পদে জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করে মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে বাঁচার ক্ষমতা কন্যাটির শেষ হয়ে গিয়েছিল।বিনা প্রতিরোধে কঠিন কষ্টকর মৃত্যু হানা দিল ওদের ঘরে।ওদের বাঁচার দীর্ঘস্থায়ী জীবন যুদ্ধের জয়ের মুখে দাদার স্নেহের বোন,খুকী,নীতা মরে 'মেঘে ঢাকা তারা' হয়ে গেল।আমরা কঁকিয়ে কেঁদে উঠলাম।
*আমাদের চোখের জলে এবং
এই কন্যার মতো হাজার হাজার মানুষের সাহাদাতের বিনিময়েও ভারতবর্ষ স্বাধীনতার জন্য দুই ভাগে বলি হয়ে যাওয়া আমাদের প্রিয় আপন বাংলাকে জোড়া লাগাতে পারলাম না আজ‌ও!

সুরমা ঘটক,ঋত্বিক ঘটকের স্ত্রী স্মৃতিচারণে লিখেছেন ও আমার সংযোজন:'বহুদিন বহুবার শুনেছি,'আমি মারা যাব।মাইকেল মধুসূদন,প্রমথ...
05/11/2024

সুরমা ঘটক,ঋত্বিক ঘটকের স্ত্রী স্মৃতিচারণে লিখেছেন ও আমার সংযোজন:
'বহুদিন বহুবার শুনেছি,'আমি মারা যাব।মাইকেল মধুসূদন,প্রমথেশ বড়ুয়া,মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে মারা গেছেন,সেই ভাবেই মারা যাব।'
**৬-ই ফেব্রুয়ারী তিনি মারা গেলেন,১৯৭৬ । 'রাসবিহারী মোড়ে আকাশের নীচে শায়িত মানুষটির দিকে তাকিয়ে অবাক হ‌ই।মুখে অপূর্ব হাসি।কোন‌ও রোগ -বিকৃতি নেই।দেখে কিছুতেই মনে হয় না প্রাণ নেই।......!'
'বিস্ময়ে অবাক হয়ে যাই। মন চলে যায় অনেক দূরে--একজন বাংলাদেশের ছেলে একদিন গেরুয়া পাঞ্জাবী গায়ে, কাঁধে একটা ঝোলা নিয়ে র‌ওনা হয়েছিলেন জীবনের পথে....!গৈরিক পদ্মার ধারে রূপকথার দেশের স্বপ্ন দেখে যে জীবনের শুরু ---যুদ্ধ,দাঙ্গা,দেশভাগ পেরিয়ে দুই বাংলার ক্ষতবিক্ষত রাজপথে সে জীবনের সমাপ্তি।
'নাগরিক' থেকে 'যুক্তি তক্ক' পর্যন্ত জীবনকে বারবার হতাশায় আচ্ছন্ন করেছে...কোন ছবি ফ্লপ,কোন ছবি সুপার -ফ্লপ,কোন ছবি অসমাপ্ত,কোন ছবি মুক্তি পায়নি এই হলো ঋত্বিক ঘটকের জীবনের দীর্ঘ ইতিহাস.....'

**শতবর্ষের আলোকে ঋত্বিক কুমার ঘটক**তিনি গল্প লিখতেন-এক মেয়ে কেন রাস্তায় দাঁড়ালো, শ্রমিক নেতা কেন বেইমানী করলো এই সব ন...
04/11/2024

**শতবর্ষের আলোকে ঋত্বিক কুমার ঘটক**
তিনি গল্প লিখতেন-এক মেয়ে কেন রাস্তায় দাঁড়ালো, শ্রমিক নেতা কেন বেইমানী করলো এই সব নিয়ে।গল্পে বেইমানী করা নায়ককে খুন করে তাদের সাকরেদরা ...!
তিনি নাটক‌ও লিখেছেন।একটা নাটক ছিল : নাম - "জ্বালা"। কলকাতা শহরে একমাসে, ১৯৫০ সালে , যাঁরা আত্মহত্যা করেছিল তাদের কয়েকটা চরিত্র টেনে এনে তাদের মুখে সংলাপ বসিয়ে নাটকটা তৈরী হয়েছিল।ছিল এক উন্মাদের চরিত্র।নাটকটিতে এক পাগল বলছে ,"এই আছে খবর।বাঁয়ে হট।" সবাই বাম পন্থী হয়ে যাও। "অব্ কোমর বান্ধো তৈয়ার হো লাখ-কোটি ভাই-ও।" বিপ্লবের ডাক দিয়ে দিল পাগলটা। বোঝ ঠ্যালা..! বিপ্লব কিন্তু আজ‌ও হয় নি।তবে নাটকটি মঞ্চস্থ হলেই শেষ দৃশ্যে পূর্ব দিগন্ত থেকে রোজ একটা লাল সূর্য ওই নাটকে উঠতো।
তিনি সিনেমা করেছিলেন আটখানা। এক মাত্র "অযান্ত্রিক" আর "তিতাস একটি নদীর নাম" বাদে আর সব‌ই হ য ব র ল।কয়েকটি তথ্যচিত্র করেছিলেন।যেমন, লেনিন,দুর্বার গতি পদ্মা!
তিনি বিড়ি টানতেন... খুব ঘোলা চোলাই খেতেন। যাকে তাকে হুপ হাপ করে যা' তা' বলতেন। ছিলেন যক্ষা রোগী।পাগলা গারদে ছিলেন বেশ কিছুদিন।সেখানেও চুরি চামারি করে চোলাই টানতেন। যেখানে সেখানে বিশেষ করে কলকাতার গাঁজা পার্কে ওর চেনা জানা মানুষজনদের নিয়ে নিত্য গাঁজা ও মদের আসর বসাতেন তিনি। একদিন এই সব করতে করতে একান্ন বছর বয়সে হিক্কা তুলে ছটফট করতে করতে মরেও গেলেন। কে তিনি ? তিনি ছিলেন চিত্রপরিচালক ঋত্বিক কুমার ঘটক !
ঋত্বিককুমার ঘটক!
মাত্র একান্ন বছরের জীবন !
জন্ম সাল ও তারিখ= 4-ঠা নভেম্বর, 1925 জন্মস্থান= ঢাকা
মৃত্যু= 6-ই ফেব্রুয়ারী, 1976 ক'লকাতা
AN UN-WANTED FILM MAKER...HE DIED PENNYLESS AS AN ALCOHOLIC AND a 'T B' Patient.......
"Ritwik was one of the few truly original talents in the cinema this country has produced" was how the great Satyajit Ray once described him. Though he has made only eight feature films (several documentaries) he is consideed by many to be a master craftsman.

'এখন দেশের যা অবস্থা যে অবস্থা সমস্ত‌ই হচ্ছে ঐ great betrayal--সেই সাতচল্লিশের তথাকথিত স্বাধীনতার result.....What is to ...
04/11/2024

'এখন দেশের যা অবস্থা যে অবস্থা সমস্ত‌ই হচ্ছে ঐ great betrayal--সেই সাতচল্লিশের তথাকথিত স্বাধীনতার result.....What is to be done?
সমস্যাটা কোথায় everybody knows।সমাজের সেই উচ্চতম স্তর থেকে নিম্নতম পর্যন্ত আমি মিশি,আমি মিশেছি প্রত্যেকে জানে।একদল আছে যারা এই অবস্থা থেকে ক্ষীর লুটছে,ননি লুটছে, সব লুটছে ।কাজেই এই অবস্থাটা তারা perpetuate করতে চায়।আর একদল দিশাহারা হয়ে ঘুরছে কতগুলো নেতার পেছনে যেগুলো প্রত্যেকটা চোর,ডাকাত, প্রত্যেকে তাদের নাম বজায় রাখা ,পয়সা করা ইত্যাদিতে ব্যস্ত।এরা এই সব লোকের দ্বারা বিভ্রান্ত।...
এই যে ছেলেপুলেগুলো বখে যাচ্ছে...রাস্তায় বেরোলে দেখি আজকালকার ছেলেপিলেরা যে ধরণের behaviour করে তা' বলা যায় না, এ সমস্ত‌ই হচ্ছে frustration-এর ফলে।......,এদেশে leadership বলে কিছু নেই। ...ভূতের নৃত্য চলছে গোটা বাংলাদেশে!...!'-শ্রীঋত্বিককুমার ঘটক।

Indian Culture is hard to define thousands of small tribal and ethnic groups make up the Indian culture.In the tribal In...
31/10/2024

Indian Culture is hard to define thousands of small tribal and ethnic groups make up the Indian culture.In the tribal Indian culture live stock is a main income generator.
জাতপাত,সমাজ চুলায় যাক,আমাদের পেটে খাবার নেই, শিক্ষা নেই, পরণের জামা কাপড় নেই, সবসময় পেট জ্বলে , পেট জ্বলে তো মাথা বন্ বন্ করে । লেখাপড়া শিখে চাকরী-বাকরী পেল যারা তারা সব শহরে চলে গেছে আমাদের ফেলে।কেউ কেউ এই দেশ ছেড়ে বিদেশেও চলে গেছে। ওরা আমাদের খবরও নেয় না! ওরা সবাই কেমন যেন হয়ে গেছে। দেখলে চেনেই না ! সাহেবী পোষাক পরে সুগন্ধি ছড়াতে ছড়াতে আমাদের
জাত ধর্ম ভাষা বিসর্জন দিয়ে ইংরাজীতে কথা বলে। আমাদের দেখলে দয়ার দৃষ্টিতে তাকায়।কেউ কেউ তো তাদের বাপ মা এর রাখা নাম পাল্টে ইংরাজী নাম রেখে আমাদের দেখলেই কি যে সব বলে হাসে.. বুঝিই না !
আমরা জানিনা আমরা কারা । কেউ বলে আদিবাসী, যতদূর জানা যায় ঠক্কর বাপা প্রথম এই নামটা তৈরী করেন, পরে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী নামটা ব্যবহার করতে শুরু করেন।আমরা এত সব বুঝি না । লোকে বলে শুনি । তবে এটা বুঝি না খেলে ক্ষিধেয় আমাদের পেট জ্বলে, অখাদ্য কু খাদ্য খেয়ে রোগে ভুগে এখানে সেখানে মরে পড়ে থাকি।
ভুল হলে বলুন.....।
ছবি : গোড় বা গোণ্ড (Gondi) রাজ গোণ্ড উপজাতির রন্ধনরতা রমণী । ওঁরা দ্রাবিড় ভাষায় কথা বলে থাকেন।বসবাস করেন বিদর্ভ( পূর্ব মহারাষ্ট্র),মধ্য প্রদেশ,উড়িষ্যা ও ছত্তিশগড় অঞ্চলে...!

*"সত্য"*আসুন দেখি সক্রেটিসের দৃষ্টিতে  "সত্য" কি?প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহর । সক্রেটিস তার ছাত্রদের নিয়ে বসে কথা বলছেন এ...
30/10/2024

*"সত্য"*
আসুন দেখি সক্রেটিসের দৃষ্টিতে "সত্য" কি?
প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহর ।
সক্রেটিস তার ছাত্রদের নিয়ে বসে কথা বলছেন এক বাগানে ৷
এক ছাত্র জিজ্ঞাসা করলেন,
সত্য কিভাবে বুঝবো ?
সক্রেটিস কোন উত্তর না দিয়ে বললেন,
বসো সবাই, একটু আসছি ৷
একটু পর এলেন । হাতে একটি আপেল ৷ ছাত্রদের দেখালেন । জিজ্ঞাস করলেন,
- এটা কি ?
সবাই বললেন,
আপেল ৷
ফলটি হাতে সক্রেটিস ছাত্রদের চারপাশে একটু ঘুরে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে?
কেউ কোনো উত্তর দিচ্ছে না । সবাই চুপ । দেখতে আপেল মনে হলেও গন্ধ তো তারা পায় নি ।একজন শুধু উঠে দাঁড়িয়ে বললেন,
আপেলের গন্ধ পেয়েছি !

বলেই ছাত্রটি দাঁড়িয়ে সবার দিকে সমর্থনের আশায় তাকাল, কিন্তু কেউ তার সমর্থনে সাড়া দিল না ৷ সবাই নিশ্চুপ ।

সক্রেটিস আবার আপেলটি নিয়ে ছাত্রদের চারপাশে ঘুরে ঘুরে নাড়িয়ে নাড়িয়ে হেঁটে হেঁটে জিজ্ঞাসা করলেন,

- এবার তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে ?

বেশির ভাগ ছাত্র হাত তুলে বললেন,
- হুম, আমরা আপেলের গন্ধ পেয়েছি এবার !

একটু চুপ থেকে এবার সক্রেটিস আপেল হাতে সবার নাকের কাছে তুলে ধরলেন । ঘুরে ঘুরে শুঁকিয়ে শুঁকিয়ে জানতে চাইলেন,

- এবার কেমন গন্ধ পেলে ?
সব ছাত্রই হাত তুলে বললেন,
- আপেলের মিষ্টি গন্ধ ৷
সবাই হাত তুলে বলছে, কিন্তু একজন ছাত্র হাত তুলে নি !

বাকিরা তার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে । সক্রেটিসও ছাত্রের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে ৷ লজ্জা পেয়ে সেও আর থাকতে পারল না, হাত তুলল । বাকিরা সমস্বরে হেসে উঠল ৷ হাসি শেষ হলে সক্রেটিস ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলেন,

- তুমিও কি আপেলের গন্ধ পেয়েছিলে ?
ছাত্রটি মাথা নেড়ে বললেন,
হাঁ ৷
সক্রেটিস একটু থামলেন । ফলটি নেড়েচেড়ে বললেন,
আপেলটি ছিল আসলে একটি নকল আপেল, যার কোন গন্ধ নেই !

কেউ শুরুতে আপেলের গন্ধ পায় নি । একজন পেয়েছে বলাতে বিভ্রান্ত হয়ে পরের বারে বেশিরভাগই বললো আপেলের গন্ধ । কিন্তু ঠিকই একজন তখনও নিশ্চিত ছিল কোনো আপেলের গন্ধ সে পায় নি ।কিন্তু সেও শেষে সামষ্টিকের নিশ্চিতের কাছে পরাস্ত হয়ে গেলো । সবশেষে দেখা গেলো আপেলটি নকল ছিল ।

সত্য বিচারে মানুষ তার নিজের বিচারকে খুব কম অনুসরণ করে । সমষ্টির সমর্থনের আশায় সামষ্টিকের মিথ্যেকেই প্রতিদিন এমন করে বড় সত্য ভেবে অনুকরণ করে ৷

আজকের সমাজ, বিশ্ব এবং সামাজিক মিডিয়া তার বাস্তব উদাহরণ ।

অমৃতা প্রীতম। পাঞ্জাবী কবি। জন্মেছিলেন ১৯১৯ সালে। মাত্র ছয়বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় প্রীতমের সাথে। বিয়ের পরেও অবশ্য বাবা মায়...
29/10/2024

অমৃতা প্রীতম। পাঞ্জাবী কবি। জন্মেছিলেন ১৯১৯ সালে। মাত্র ছয়বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় প্রীতমের সাথে। বিয়ের পরেও অবশ্য বাবা মায়ের সাথে থাকতেন। ষোলো বছর বয়সে প্রীতমের সংসারে যান। প্রীতম আর অমৃতার জগৎ ছিলো পুরোই আলাদা।
একবার এক কবিতার আসরে অমৃতার পরিচয় হয় এক উঠতি কবির সাথে। সাহির লুধিয়ানভি। অমৃতা সাহিরের প্রেমে পড়ে যান। ততোদিনে তিনি দুই সন্তানের জননী। তো অমৃতা সাহিরকে ভালোবেসে সেই সময়ে প্রীতমকে ছেড়ে আসেন। আর সাহির! সাহিরও ভালোবাসতেন হয়তো কিন্তু আরেকটু সাহস করে উঠতে পারেননি। যতোটা অবলীলায় কবিতায় অমৃতাকে ভালোবাসা জানিয়েছেন ততোটাই নীরব ছিলেন বাস্তবে। অমৃতা শুধুই অপেক্ষা করে গেছেন। ভালোবেসে গেছেন। সাহির যখন অমৃতার সাথে দেখা করতে আসতেন একটার পর একটা সিগারেট খেয়ে যেতেন। সাহির চলে যাবার পর অমৃতা সাহিরের ঠোঁটের স্পর্শ পেতে সেই আধখাওয়া সিগারেটগুলো জ্বেলে টানতে থাকতেন। আর এইভাবেই অমৃতার নেশা হয়ে গেলো সিগারেটের। অথচ তিনি কখনও সিগারেট কেনেননি!
এভাবেই সাহিরের জীবনে তখন অন্য কারও উঁকি। অমৃতার বইয়ের প্রচ্ছদ করতে গিয়েও পরিচয় হয় ইমরোজের সাথে। অমৃতা কখনও মুখে বলেননি ইমরোজকে ভালোবাসেন, ইমরোজও না।
ইমরোজ যখন বলেছিলেন অমৃতার সাথে তিনি আজীবন থাকতে চান তখন অমৃতা বলেছিলেন "যাও, সারা পৃথিবী ঘুরে এসো। এরপর যদি তোমার আমার সাথে থাকতে ইচ্ছে করে, আমি তো আছিই, এখানে। " ইমরোজ সারা ঘর সাতবার ঘুরে অমৃতার সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন - এই আমি সারা পৃথিবী ঘুরে এলাম এবং এখনও আমি তোমার সাথেই থাকতে চাই। অমৃতা ইমরোজ একসাথে থাকতে শুরু করেন। তারা তাদের সম্পর্ককে কোনো নাম দেননি। অথচ একসাথে ছিলেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। বলা হয় ভারতের প্রথম লিভ ইন কাপল অমৃতা -ইমরোজ।
অমৃতা রাত জেগে লিখতেন। অমৃতা যখন রাত জেগে লিখতেন ইমরোজ চা বানিয়ে অমৃতার পাশে রেখে ঘুমিয়ে পড়তেন। অমৃতা একবারও ফিরে তাকাতেন না চায়ের দিকে, ইমরোজের দিকে। এই নিয়ম চলেছে অমৃতার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। দিনের বেলা ইমরোজ যখন আঁকতেন অমৃতা এককোণে চুপ করে বসে তাকিয়ে থাকতেন ইমরোজের আঁকার দিকে। ইমরোজ জানতেন অমৃতার অনেকখানি সারাজীবন সাহির থেকেছেন। সেটুকু নিয়ে তিনি কোনোদিন প্রশ্ন তুলেননি। ভালোবেসে গেছেন অমৃতাকে শেষ দিন পর্যন্ত, হয়ে থেকেছেন অমৃতার। আত্মজীবনীর এক জায়গায় অমৃতা আফসোস করেছেন কেনো জীবনের এই সন্ধ্যেবেলায় ইমরোজের সাথে তার দেখা হলো কেনো দুপুরবেলা হলোনা! জীবন তো এমন অদ্ভুতই। অসময়ে ঠিক জিনিসটাকে পাইয়ে আরও ব্যথার্ত করে দেয়।
মৃত্যুর কয়েকদিন আগে অমৃতা ইমরোজকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন তার শেষ কবিতা "মে তুঝছে ফির মিলুঙ্গি "।
সেই কবিতায় তিনি বলেছেন কোথায় কখন আবার দেখা হবে তিনি জানেন না।
আমিও জানিনা আপনাদের আবার কোথায় দেখা হবে। কিন্তু আমি চাই আপনাদের আবার দেখা হোক। ভালোবাসার আবার দেখা হোক।

Address

Jadavpur , 84, Gouranga Sarani, Garfa Katapukur
Kolkata
700078

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abayab Kolkata posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Abayab Kolkata:

Share

Category