Movie Club

Movie Club Entertainment Drive

Nature’s Wrath in Uttarakashi 😢💔Just 3 days apart… from vibrant life to devastating emptiness. The beautiful village of ...
06/08/2025

Nature’s Wrath in Uttarakashi 😢💔
Just 3 days apart… from vibrant life to devastating emptiness. The beautiful village of Dharali in Uttarakashi now lies under rubble and debris.
Prayers for the affected families and all those battling this unimaginable disaster. 🙏
Let’s stand together for Uttarakhand. 💙🕊️


প্রকৃতির সামনে আমরা কত অসহায়!
উত্তরকাশী, ধারালি অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভয়াবহ আকার নিয়েছে।
সবাইকে অনুরোধ করছি, দয়া করে নিরাপদ থাকুন ও সরকারী নির্দেশ মেনে চলুন।
#উত্তরকাশী #ধারালি #উত্তরাখণ্ড #প্রাকৃতিকদুর্যোগ #সতর্কতা

05/08/2025

হরপা বানে তছনছ

ক্যাটরিনা আর মাস্টার মশাই। 😀😀😀😀😀😀😀😀                                                      পশ্চিমবঙ্গের সরকারী স্কুলে চাকর...
23/07/2025

ক্যাটরিনা আর মাস্টার মশাই। 😀😀😀😀😀😀😀😀


পশ্চিমবঙ্গের সরকারী স্কুলে চাকরি পাওয়া মাস্টারমশাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নদীর ওপর ছোট্ট সাঁকো পার হচ্ছিলেন।‌ ক্লান্ত হয়ে মাঝপথে বসে নতুন কেনা পেন দিয়ে খাতার উপর কিছু লিখতে গিয়ে আকস্মিক ভাবে মাস্টার মশাই এর হাত থেকে পেনটা পড়ে যায় নদীর জলে। মাস্টার মশাই হায় হায় করে উঠলেন, আজ সকালেই নগদ পাঁচ টাকা দিয়ে কিনে ছিলেন। এরমধ্যেই মাস্টার এর বিলাপ শুনে নদীর জলে প্রবল ঢেউ উঠতে শুরু করেছে, তারপর মুহুর্তে নদীর বুক চিরে জলদেবতা উঠে এলেন এবং মাস্টার মশাই এর বিলাপ কারন জানতে চাইলেন, মাস্টার মশাই জানতে চাইলেন তিনি কে ? উত্তরে আগন্তুক বললেন যে তিনি জলদেবতা !!!
এরপর সব কিছু শুনে জলদেবতা জলে ডুব দিলেন ও কিছুক্ষণ পরে উঠে এলেন এবং মৃদু হেসে মাস্টারকে একটা পেন দেখিয়ে বললেন যে এটা তার কি না ?মাস্টারের কাঠুরিয়ার গল্প মনে গেল, তাই বললেন প্রভু আমি সামান্য মাস্টার, রুপোর পেন কোথায় পাবো ? জলদেবতা মুচকি হেসে আবারও জলে ডুব দিলেন খানিক পরেই উঠে এলেন একটি দামী পাথর খচিত সোনার পেন নিয়ে। ভালো করে দেখে নিয়ে মাস্টার বললেন হে জলদেবতা আপনি এক সামান্য শিক্ষকের সাথে কেন রসিকতা করছেন, এটাতো সোনার পেন, আমার সাধ্যের বাইরে। জলদেবতা আবার জলে ডুবে গেলেন, এইবার মাস্টারের নতুন কেনা জেল পেনটি নিয়ে উঠে এলেন। মাস্টারমশাই বলে উঠলেন, প্রভু এটাই আমার পেন। জলদেবতা ধন্য হলেন শিক্ষকের সততায়, মুগ্ধ হয়ে তিনটি পেনই দিয়ে দিলেন তাকে। বললেন তুমি বাস্তবিক অর্থেই গুরু হবার যোগ্যতম ব্যক্তি।

খুশিতে ডগমগ হয়ে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে সবকথা খুলে বললেন, কিন্তু স্ত্রী কিছুতেই তার কথা মানতে চায় না! শেষে বাধ্য হয়ে ঘটনাস্থলে স্ত্রীকে নিয়ে এসে কি হয়েছে তার বিবরণ দিচ্ছেন আর স্ত্রী পাকা গোয়েন্দাদের মতো সমস্ত ঘটনা একে একে জোড়া লাগিয়ে বুঝতে চাইছে ! এমন সময় হঠাৎ ঝপাং করে পা পিছলে সাঁকো থেকে মাস্টারনি জলে তলিয়ে গেল............... !!!
আবার সেই একইভাবে জলে প্রবল ঢেউ উঠল, জলদেবতা উঠে এলেন এবং সব শুনে জলে ডুব দিলেন এবং সোজা ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে উঠে এলেন। শিক্ষককে দেখিয়ে জানতে চাইলেন যে এটি তার স্ত্রী কিনা ? শিক্ষক কিছুক্ষন ভেবে নিয়ে মহা উৎসাহে বলে বসল, হ্যাঁ প্রভু এটাই আমার স্ত্রী !!! জলদেবতা রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে গিয়ে বললেন নরাধম, পাপী দুশ্চরিত্র মাস্টার, আমি তোকে অভিশাপ দিচ্ছি!!! মাস্টারমশাই দুই হাত জোড় করে বলল, আমার অপরাধ নেবেন না প্রভু, দয়া করে একটু আমার কথাটা শুনুন, আমি অন্যায় কিছুই করিনি, আগের বারে খুশি হয়ে তিনটি পেনই আমাকে দিয়ে দিয়েছেন, এবারও যদি আমি ক্যাটরিনা কে দেখে না বলতাম আপনি আবার ডুব দিয়ে প্রিয়াংকা চোপড়া কিংবা ঐশ্বরিয়া রাইকে তুলে আনতেন, তারপর না বলতেই আমার স্ত্রী কে !!! প্রভু আপনি খুশি হয়ে যদি তিন তিনটিকেই আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিতেন, আমিতো মরার আগেই মরে যেতাম। পে কমিশন নেই, ডিএ অনেক বাকি, নিয়োগ দূর্নীতিতে চাকরীটা থাকবে কিনা জানিনা। তাই একটাতেই নাভিশ্বাস উঠবে।
তিনটে সামলাতে পারবো না! অনেক ভেবে অগত্যা ক্যাটরিনাতেই রাজি হয়েছি। 🤣🤣🤣

ঘরবন্দি হয়ে থাকার জন্যই কিনা কে জানে আমার লোভ সাংঘাতিক বেড়ে গেছে। ঘরে খাবার অপ্রতুল অথচ মনটা সর্বক্ষণ "কী খাই কী খাই" কর...
09/07/2025

ঘরবন্দি হয়ে থাকার জন্যই কিনা কে জানে আমার লোভ সাংঘাতিক বেড়ে গেছে। ঘরে খাবার অপ্রতুল অথচ মনটা সর্বক্ষণ "কী খাই কী খাই" করছে।
এই আজই যেমন। আমার চান হয়ে গেছে। বউ চান করতে গেছে। এই সময় মনটা 'খাইখাই' করে উঠল। অথচ আর একটু পরেই ভাত খাব। এখন কিছু খাওয়ার কোনও দরকারই নেই।
রান্নাঘরে গিয়ে জিনিসপত্র হাঁটকানো শুরু করলাম। খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে গেলাম। বেশ বড় এক টুকরো আমসত্ত্ব। আহা! জিভে সুড়ুৎ করে জল চলে এল। ঘরে নিয়ে এসে টিভি দেখতে দেখতে আয়েশ করে খেলাম।
বউ আরও কিছুটা পরে বাথরুম থেকে বেরিয়ে বলল, "তোমাকে কি এক্ষুনি খেতে দিয়ে দেব? আমার একটু কাজ আছে আমি পরে খাব।"
আমি বললাম, "না না কোনও তাড়া নেই। তোমার হাতের কাজ সেরে নাও। তারপর একসঙ্গে খাব। আরে এখন খিদে-টিদেকে একটুও গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়, তাই না?"
বউ বলল, "বলো কী? উফ্ ভাবা যায় না!"
একটু পরে রান্নাঘর থেকে বউ চেঁচাল, "আচ্ছা তুমি কি আমসত্ত্বটা দেখেছ? অতটা আমসত্ত্ব কী হল?"
খেয়েছি বলে দিলেই ল্যাঠা চুকে যেত কিন্তু হেব্বি লজ্জা করল। চুরি করে খেয়েছি বলতে পারলাম না। উল্টে রান্নাঘরে গিয়ে আকাশ থেকে পড়লাম, "আমি? আমসত্ত্ব? কই না তো!"
বউ বলল, "চানাচুরের কৌটোর পাশে রাখা ছিল, তাহলে কোথায় গেল?"
আমি বললাম,"তোমার বাবা কাল এসেছিলেন, তাঁকে একবার রান্নাঘরে ঢুকতেও দেখেছিলাম। তিনিই হয়তো লোভ সামলাতে পারেননি, খেয়ে নিয়েছেন! উফফ যা লোভ বেড়েছে ওঁর!"
বউ আমার দিকে কটমট করে তাকিয়ে বলল, "আমসত্ত্বটা আজই আমি ফ্রিজ থেকে বের করে রেখেছিলাম।"
আমি মাথা চুলকে বললাম, "তাহলে ইঁদুরেই হয়তো খেয়ে নিয়েছে।"
বউ বলল,"হতে পারে। ইঁদুর যা বেড়েছে রান্নাঘরে! কবেকার আমসত্ত্ব ফ্রিজের এক কোণে পড়েছিল। ওদের মারার জন্যই ওতে বিষ দিয়ে রেখেছিলাম।"
ইঁদুরের বিষ!!!!
আমার সামনের সবকিছু ব্যাপক ভাবে দুলে উঠল। পা থরথর করে কাঁপতে লাগল। ইঁদুর মারা বিষ খেয়ে মানুষ মরে যায় শুনেছি। শেষ পর্যন্ত গোলদার কেমিকেলের র‍্যাট কিলারে আমার মৃত্যু হবে!
আর অন্য সময় হলে যদি বা বাঁচার চান্স ছিল কিন্তু এই লকডাউনের সময় তো কোনও হাসপাতালেও ভর্তি নেবে না। হয়তো বলবে ইঁদুরের বিষ খেয়েছে? তাহলে পশু-হাসপাতালে ভর্তি করে দিন।
আমি দৌড়ে বেসিনে গিয়ে গলায় আঙুল দিয়ে বমি করার চেষ্টা করলাম। কয়েকবার চেষ্টা করেও বমি হল না একটুও।
গা মাথা কেমন ঝিমঝিম করছে! সেটা ইঁদুরের বিষের প্রভাবে নাকি ভয়ে বুঝতে পারলাম না।
বউ নির্বিকার হয়ে থালা ধুয়ে যাচ্ছে। হায়রে নারী! বুঝতেও পারছে না কী হতে চলেছে! ফ্যাসফ্যাসে গলায় বললাম, "অনেকটা বিষ ছিল?"
বউ শীতল গলায় বলল, "আমসত্ত্বটা তুমি খেয়েছ সে আমি বুঝতেই পেরেছিলাম। স্বীকার তো করলেই না উল্টে আমার বাবার ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করলে, তাই ইচ্ছে করেই ইঁদুরের বিষের কথাটা বললাম। আমসত্ত্বটা ঠিকই ছিল। যাও আর বমি-টমি করতে হবে না, মুখ ধুয়ে নাও, ভাত বাড়ছি।"
আমি প্রচণ্ড অপমানিত বোধ করে ভাত একটু কম খেলাম। বউ অবশ্য বলল, "অনেকটা আমসত্ত্ব সাঁটিয়েছ! ভাত একটু কম খাওয়াই ভাল।"

সংগৃহীত

একটু হেসে নিন.....একমাত্র বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যকর উপায়ে.

After the rain. .
29/06/2025

After the rain. .

গল্পের নাম: "রহস্যময় ভবিষ্যৎ"গল্পের দ্বিতীয় পর্ব: "ছায়ার রাজ্য"রায়হান ও মায়া যখন ভবিষ্যতের সুন্দর চিত্র দেখে স্বস্ত...
26/06/2025

গল্পের নাম: "রহস্যময় ভবিষ্যৎ"
গল্পের দ্বিতীয় পর্ব: "ছায়ার রাজ্য"
রায়হান ও মায়া যখন ভবিষ্যতের সুন্দর চিত্র দেখে স্বস্তি পেতে শুরু করল, তখনই স্ক্যানারের পর্দা কাঁপতে লাগল। হঠাৎ করেই সেখানে ফুটে উঠল এক ভিন্ন ভবিষ্যতের দৃশ্য—একটি পৃথিবী যেখানে আলো নেই, মানুষদের চোখে ভয়, আর আকাশ জুড়ে এক অন্ধকারের রাজত্ব।
মায়া আতঙ্কিত কণ্ঠে বলল, “এটা তো আগের দৃশ্যের একেবারে বিপরীত! এটা কি কোনো বিকল্প ভবিষ্যৎ?”
রায়হান স্ক্যানার ঘেঁটে বুঝতে পারল, এই যন্ত্র শুধু ভবিষ্যৎ দেখাতে পারে না, এটি ভবিষ্যৎ প্রভাবিতও করতে পারে। তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত একটি নির্দিষ্ট টাইমলাইন তৈরি করছে।
তারা বুঝতে পারল, আগের দৃশ্যের আশাবাদী পৃথিবী তৈরি হতে গেলে এখনই কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে—প্রকৃতি রক্ষা, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, এবং মানুষকে সচেতন করা।
কিন্তু তার আগেই তারা লক্ষ্য করল, স্ক্যানারটি যেন কারও নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে। যন্ত্রের আলো হঠাৎ অন্ধকার হয়ে গেল, এবং ঘরের জানালার বাইরে দেখা গেল এক ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে আছে।
“কে ওটা?” ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল মায়া।
এক গম্ভীর কণ্ঠ শোনা গেল, “ভবিষ্যৎ বদলানো খুব সহজ নয়, রায়হান। কিছু ভবিষ্যৎ লিখে রাখা হয়েছে।”
রায়হান সাহস করে বলল, “লিখে রাখা মানেই অপরিবর্তনীয় নয়। আমি চেষ্টা করব।”
ছায়ামূর্তি ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল, কিন্তু রায়হান ও মায়া জানত—এখন থেকে তাদের লড়াই শুধু একটা সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য নয়, একটা অজানা শক্তির বিরুদ্ধেও।
তাদের সামনে এখন রহস্য, বিপদ, আর নতুন সম্ভাবনা—যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপ হতে পারে যুগান্তকারী।
চলবে.........

26/06/2025

বুড়ি কলে মুখ ধুয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিল, বোঁচকাটা বগলদাবা করে। পুরোহিত আটকালো। বলল, বুড়ি এই যে তুমি মন্দিরে রোজ দুপুরে আসো, ভোগ খাও, চলে যাও...

বুড়ি তাকে থামিয়ে বলল, কেন? আমি তো দশটাকা দিয়ে কুপোন কাটি। অবশ্য রোজ কাটতে হয় না। এক একদিন এমনি এমনিও ভোগ দেয়....কিন্তু কেন জিজ্ঞাসা করছেন?

পুরোহিত বলল, না, মানে তোমায় তো আরতির সময় দেখি না, সকালে পুজোর সময় দেখি না....বছরে একদিনও তোমায় মন্দিরে অন্য সময় দেখি না...সারাদিন করো কি?

বুড়ি বলল, কেন, ভিক্ষা? রাতে স্টেশানে শুই....আবার সকাল থেকে ভিক্ষা..

পুরোহিত বলল, তোমার কিছু চাওয়ার নেই মায়ের কাছে?...এই যে এত দূর দূর থেকে সব আসে মায়ের কাছে এটা-সেটা চাইতে....তোমার কিচ্ছু চাওয়ার নেই?...

বুড়ি বলল, নেই গো। ছেলে বার করে দিল। বলল শুতে দেওয়ার জায়গা নেই। খেতে দেওয়ার ভাত নেই। তাদের পরিবার বড় হচ্ছে। তা ছেলে যখন বার করে দিল তখন তোমার ও কালী আমার কি করবে? তাকে তো আমি পেটে ধরিনি রে বাবা...তার কি দায়?..

তবে মন্দিরে আসো কেন?....

মাকে বলতে যেন ছেলেটার অমঙ্গল না করে। সেও মা তো। বুঝবে। তারও তো কেউ নেই, নইলে তোমাদের মন্দিরে পড়ে থাকে? সারারাত তালা লাগিয়ে, দরজা জানলা লাগিয়ে চলে যাও...সে একগ্লাস জল চাইলে পাবে কিনা কে জানে... ও সবার ভাগ্যই এক...দেখো না এই দুর্গাপুজো আসছে.... নর্দমার উপরে, এখানে সেখানে প্যাণ্ডেল করে চার পাঁচ দিন ঠায় দাঁড় করিয়ে রাখবে..কান মাথা খাওয়া গান চালাবে...মদ গিলে রাতে নেত্ত করবে...কুটকাচালি করবে সব সেজেগুজে বসে...মা ঠায় দাঁড়িয়ে থাকবেন...তারপর মন ভরে গেলে টান মেরে জলে ফেলে দিয়ে আসবে নাচতে নাচতে....ওর কাছে আমি আমার জন্যে আর কি চাইব বলো...আমি আসি...টাকা দিই...কুপোন নিই.. ভোগ খাই...আর মাকে বলি তুই তো সব জানিস ছেলেটার যেন অমঙ্গল না হয় দেখিস...এই তো...আসি?

পুরোহিত স্তব্ধবাক। সত্যিই তো মন্দিরে তালা দেওয়া এখন। পাখা লাইট নেভানো। কর্তৃপক্ষ অত টাকা লাইটের বিল দিতে পারে না। বুড়ি চলে যাচ্ছে। ময়লা শাড়ি। বগলে বোঁচকা। চলায় না আছে কোনো তাড়া, বলায় না আছে কোনো ক্ষোভ। এত শান্ত কি করে হলে বুড়ি....

বুড়ি ফিরে তাকালো.. হাসল...সামনের উপরের পাটিতে দাঁত নেই দুটো কি তিনটে...এমন নিরুদ্বেগ, অমলিন হাসি একমাত্র মায়েরাই হাসতে পারে...তাড়িয়ে দিলেও....

লেখা : সংগৃহীত

Address

Uttarpara
712232

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Movie Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share