Bengali FILM Industry

Bengali FILM Industry Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bengali FILM Industry, Cinema, Vadodara.

12/04/2024

#মিসেস_সেনকে_আজও_মনে_রেখেছেন_ধর্মেন্দ্র

সালটা ছিল ১৯৬৬। বাংলার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পিঠে চুমু খেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। যার ছবি প্রকাশ্যে আসার পর অনেক চর্চা হয়েছিল। আসলে সেই সময় বিনোদন জগতের তারকারা এভাবে বন্ধুত্বের বহিঃপ্রকাশ করতেন। ধর্মেন্দ্রও তেমনটাই করেছিলেন। সেই সময় বেখেয়ালে ছিলেন সুচিত্রা। অন্য কারও সঙ্গে গল্প করেছিলেন তিনি।
রূপকথা 🚇 🚇
৬৬ সালেই মমতা ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র ও সুচিত্রা। উত্তর ফাল্গুনীর হিন্দি রিমেক ছিল সেটি। যার পরিচালক ছিলেন অসিত সেন। ওই ছবিতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মহানায়িকা। সুপর্ণা নামের এক চরিত্রে ছিলেন তিনি। যার হিরো ছিলেন ধর্মেন্দ্র। আবার সুপর্ণার মা দেবযানীর চরিত্রেও ছিলেন সুচিত্রা। ওই ক্ষেত্রে তাঁর বিপরীতে ছিলেন অশোক কুমার।

মমতা ছবির শ্যুটিংয়ের দরুন বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল সুচিত্রা সেন এবং ধর্মেন্দ্রর। আজও মাঝেমধ্যেই মহানায়িকার সঙ্গে কাটানো পুরনো দিনের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন অভিনেতা। চলতি বছরেও সুচিত্রা সেনের সঙ্গে তোলা ছবি শেয়ার করেন তিনি।

টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া অতীত সাক্ষাৎকারে ধর্মেন্দ্র বলেছিলেন, 'নুতন, নন্দার মতো কালজয়ী অভিনেত্রীদের সঙ্গে আমি অতীতে কাজ করেছি। কিন্তু, সুচিত্রা সেন ছিলেন একেবারে অন্যরকম। ক্লাসি ছিলেন তিনি। যেমন সৌন্দর্য ছিল, তেমন গাম্ভীর্য ছিল তাঁর। তেমনই প্রতিভাবান ছিলেন সুচিত্রা সেন।'

Dharmendra-র সংযোজন, 'মমতা ছবিতে উনি দ্বৈত চরিত্রে কাজ করেছিলেন। দেবযানী ও সুপর্ণা। যারা সম্পর্কে মা-মেয়ে ছিল। আমি ছিলাম সুপর্ণার নায়ক। শ্যুটের সময় সুচিত্রা গম্ভীর থাকতেন। তবে রিল্যাক্সড থাকতে। উনি চুপচাপ কাজ করতে পছন্দ করতেন।'
রূপকথা 🚇 🚇
কাজের দরুন Suchitra Sen কী ভাবে তাঁকে সাহায্য করতেন, সেটাও জানিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। স্মৃতির অতলে ডুব দিয়ে বলেছিলেন, 'বাহারো মে আকেলে গানটি শ্যুট করার সময় আমি ওঁর লিপ সিঙ্কের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছিলাম না। কারণ, ওই কাজটা দুর্দান্ত কায়দায় করতেন সুচিত্রা সেন। নার্ভাস হয়ে গিয়েছিলাম। বিষয়টি বোঝা মাত্র উনি আমাকে সাহায্য করতে শুরু করেন। যার জেরে আমি মনোবল ফিরে পাই।'
রূপকথা 🚇 🚇
সুচিত্রার অভিনয় প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, 'চোখ, ঠোঁট এবং মুখের শিরা-উপশিরা ব্যবহার করেও যে অভিনয় করা যায় সেটা উনি আমাকে শিখিয়েছেন। ভ্রূ তুলেই অনেক কিছু বুঝিয়ে দিতেন। এই প্রতিভা বিরল। ক্লাইম্যাক্সে আদালতে ওঁর মৃত্যুর দৃশ্য আজও আমার স্পষ্ট মনে আছে। যা ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়। এত নিখুঁত অভিনয়ও করা যায়? আজও ভাবি।'

এই সময় পত্রিকা থেকে সংগৃহীত।

 #নায়িকা_সংবাদ 💞🧚‍♀️শুভ জন্মদিন  ব্যতিক্রমী অভিনেত্রী  শ্রীমতি   #মুনমুন_সেন  🎂🎂 ( সুচিত্রা সেনের কন্যা হিসেবে চলচ্চিত্র...
29/03/2024

#নায়িকা_সংবাদ 💞🧚‍♀️

শুভ জন্মদিন ব্যতিক্রমী অভিনেত্রী শ্রীমতি #মুনমুন_সেন 🎂🎂

( সুচিত্রা সেনের কন্যা হিসেবে চলচ্চিত্রে আসেননি তিনি, অভিনয় করতে চেয়েছিলেন তাই এই জগতে প্রবেশ করেন তাও বিবাহ এবং দুই সন্তানের জন্মের পর । সুচিত্রা সেনের সঙ্গে কেবলমাত্র এই একটা জায়গাতেই মিল আছে তাঁর। সুচিত্রাও সংসার জীবনে প্রবেশের পর, মা হবার পরেই চলচ্চিত্রের জগতে আত্মপ্রকাশ করেন। মুনমুন ছায়াছবির জগতে আসেন একেবারেই চাননি তাঁর মা এবং মুনমুনের এই জগতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত জানবার পর মেয়ের সঙ্গে বাক্যালাপ বন্ধ করে দিয়েছিলেন সুচিত্রা। চলচ্চিত্রের জগতে সুচিত্রা সেন 'মহানায়িকা ' র সম্মানে আসীন। মুনমুন হয়তো সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেননি কিন্তু তাঁর হেয়ারস্টাইল, পাশ্চাত্য ঘেঁষা ব্যক্তিত্ব নারী - পুরুষ নির্বিশেষে দর্শকদের আকর্ষণ করতে পেরেছিল একটা সময়। এছাড়া মুনমুনের আরও একটা সহজাত গুণ অপরকে আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা , এই বিরল গুণটির চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত মানুষরা খুব পছন্দ করেছিলেন এবং সুচিত্রা যিনি নিজে খুব বাছাইকরা মানুষের সাথেই মিশতে পারতেন তিনিও এটা অস্বীকার করতে পারেননি। সঙ্গে রইল এই প্রসঙ্গেই আনন্দলোককে দেওয়া মুনমুন সেনের একটি ছোট্ট সাক্ষাৎকার। ) 🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀🍀

'মা' র আর আমার ইমেজটা এক নয় - মুনমুন সেন' -

©️মা সুচিত্রা সেন সম্পর্কে মেয়ে মুনমুন মুখ খুলতে চান না। তার একটা কারণ, যতখানি খোলামেলা ভাবে মা'র সম্পর্কে ও বলতে চায়, ততটা বলার ওর উপায় নেই। আরও একটা কারণ, 'মা'র একটা পিকটোরিয়াল বায়োগ্রাফি লিখতে চাই আমি। সুতরাং এখন মা'র ব্যাপারে মুখ খুলছি না।' ছবি তোলায় মুনমুনের চমৎকার হাত। সুচিত্রা সেনকে অনেক স্মরণীয় মুহূর্তে ও ধরে রেখেছে। এই সব ছবির সঙ্গে মুনমুন যদি সত্যিই সুচিত্রা সেনের জীবনী কোনওদিন লেখে, তাহলে সেটা নিশ্চয়ই হবে বেস্টসেলার।

মুনমুনের সঙ্গে কিন্তু টুকরো-টুকরো ভাবে অনেক সময়েই ওর মা সম্পর্কে কথা হয়েছে। এক দিন বিকেলবেলা মুনমুনের বাড়ির বারান্দায় বসে গল্প করছিলাম ওর সঙ্গে। মুনমুন বলল, 'দেখো, আমার মা'র মধ্যে কতকগুলো ভীষণ ইন্টারেস্টিং ক্যাডিকশনস আছে। যেমন, মাই মাদার ইজ় আ ভেরি প্রাইভেট পার্সন, কিন্তু মা একেবারেই ইন্ট্রোভার্ট নয়। মা প্রচণ্ড জোরে মনপ্রাণ খুলে হাসতে পারেন। মা'র ব্যক্তিত্বের পুরো ব্যাপারটা তাঁর হাসির মধ্যে ধরা পড়ে। কোনও ইন্ট্রোভার্ট মানুষ এই ভাবে হাসতে পারবেন না। আবার মুহূর্তের মধ্যেই মা নিজেকে নিজের মধ্যে গুটিয়ে নিতে পারেন। শি ক্যান বিকাম ভেরি রিমোট, ইফ শি ক্যান বিকাম ভেরি রিমোট, ইফ শি ওয়ান্টস টু বি। এই জন্যেই মা'কে বোঝা যায় না।'

মুনমুনকে একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম, ওর মা'র সঙ্গে বাবার সম্পর্ক কেমন ছিল, সেই বিষয়ে। মুনমুনের উত্তর, 'দেখো, এ-প্রশ্নের খোলাখুলি জবাব আমার পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। আমি বাবাকে ভীষণ ভালবাসতাম। মা'কেও বাসি। দু'জনের দু'রকম পার্সোন্যালিটি ছিল। বাবা মোটর রেস করতেন। খুব জোরে গাড়ি চালাতেন। মা সেটা বেশ পছন্দও করতেন। তবে অভিনেত্রী, শিল্পী হিসেবে মা'র আবার একটা আলাদা জগৎ ছিল। আমি ছিলাম এই দুটো জগতের মধ্যে লিঙ্ক। আই মিস মাই ফাদার ভেরি মাচ।' বুঝতে পারলাম, মুনমুন যতটুকু বলল, সেটা ওর বলতে না-পারাকে ঢাকা দেবার জন্যে।

এক দিন আমার বাড়িতে বসে কথা হচ্ছিল মুনমুনের সঙ্গে। জিজ্ঞেস করলাম, তুমি যে এত অল্প জামাকাপড় পরে ছবি তোলো, তোমার মা কিছু মনে করেন না? মুনমুন প্রথমে এমন একটা হাসি হাসল যে, সেটাকেই উত্তর বলে ধরে নেওয়া যেত। তারপর হাসির রেশ টেনে বলল, 'মা'র আর আমার ইমেজটা তো এক নয়। মা-র ইমেজটা মধ্যবিত্ত বাঙালি মেয়ের রোম্যান্টিক অ্যাপিলের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। আর আমার ইমেজের মধ্যে মিশে আছে ওয়েস্টার্ন ইনফ্লুয়েন্স। আমার শিক্ষাদীক্ষা, ব্যাকগ্রাউন্ড, এসব বিচার করলে সেটাই তো স্বাভাবিক। আমাকে টু-পিস সুইমিং কস্টিউমে অস্বাভাবিক লাগে না বলেই অশ্লীল মনে হয় না। আই ক্যান ক্যারি দ্যাট। মা তো আমাকে সেই ভাবেই মানুষ করেছেন। সুতরাং তাঁর মনে করার তো কিছু নেই।'
বাংলা ছবির অভিনেত্রী ও গায়িকারা - সেকাল ও একাল

🧚‍♀️ঋণ স্বীকার : আনন্দলোক, ১৩ ডিসেম্বর ১৯৮৬। সাক্ষাৎকারে - রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।🧚‍♀️

17/03/2024

পুত্র গৌতম চ্যাটার্জীর বিয়েতে পুত্রবধূ সুমনা চ্যাটার্জীর সাথে উত্তমকুমার ও গৌরীদেবী। সাথে সুচিত্রা সেন।

Asthir Kabi [ উত্তমকুমার ও স্বর্ণযুগ ]

17/01/2024

#স্মৃতিতে ⏳

' সুচিত্রা সেন ছিলেন আমার স্বপ্নের নারী ' - #রঞ্জিত_মল্লিক।

©️আমি সুচিত্রা সেনের অভিনয় জীবনের একেবারে শেষ দিকে কাজ করেছি। তাই উনি অন্য নায়ক বা সহশিল্পীদের সঙ্গে কেমন ছিলেন সেটা জানা নেই। আর আমি তখন এতই নবাগত যে, কেউ আমার সঙ্গে ওঁর ব্যাপারে আলোচনাও করতেন না।

তবে নিজের কথা বলতে হলে বলব, সুচিত্রা সেনের সঙ্গে অভিনয় করতে গিয়ে আমার প্রথম সমস্যা ছিল আড়ষ্টতা না কাটা। সব সময়ই একটা কিন্তু কিন্তু ভাব থাকত। কোনও দৃশ্যে হয়তো ওঁর হাত ধরতে হবে, কিছুতেই সহজ ভাবে হাত ধরতে পারতাম না। শেষমেশ উনিই আমার হাত ধরে পরিস্থিতিটাকে সহজ করে দিতেন। ওঁর সিনিয়রিটি এবং তারকা ইমেজের সঙ্গে সমান হয়ে ওঠাটা অত্যন্ত কঠিন ছিল। ওঁর স্বল্পভাষী, রাশভারী ব্যক্তিত্বের সামনে যে কোনও নতুন নায়কেরই দাঁড়ানোটা কঠিন হতো। আমার লাজুক ভাব দেখে উনি এক দিন দীনেন গুপ্তকে ডেকে বলেছিলেন, "খোকাদা, আপনার হিরো তো ডায়লগ ছাড়া কোনও কথাই বলে না!" তবে শট কিন্তু খুব বেশি 'এনজি' হতো না। একটা কি দু'টো টেকেই 'ওকে' হতো।©️ বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী যুগ।

'দেবী চৌধুরাণী'র ইনডোর শুটিং হয়েছিল ইন্দ্রপুরী
স্টুডিয়োতে। তার বেশ কিছুদিন আগে পূর্ণেন্দু পত্রীর 'চতুরঙ্গ' ছবিটি এক দিন শুটিং হয়েই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। 'দেবী চৌধুরাণী'র সেটে মিসেস সেন বসন্ত চৌধুরী, শেখর চট্টোপাধ্যায় এঁদের সঙ্গে খুব আড্ডা দিতেন। কিন্তু ইউনিটের বাকি সকলের সঙ্গে খুব খোলাখুলি মিশতেন না। একটা
ব্যবধান রাখতেন সকলের সঙ্গে। এই দূরত্বটাই হয়তো ওঁকে তারকা বানিয়েছে। কিন্তু এক জন অভিনেতার সঙ্গে আর একজন অভিনয়শিল্পীর সম্পর্ক যত সহজ হয়, ততই ভাল।

'মৌচাক' এ উত্তমদার সঙ্গে কিন্তু আমার সম্পর্কটা খুবই দিলখোলা হয়ে গিয়েছিল। মিসেস সেনের সঙ্গেও বসে যদি সহজ ভাবে দু'দণ্ড গল্প করার সুযোগ পেতাম, তা হলে হয়তো 'দেবী চৌধুরাণী'তে আমার অভিনয় অনেক সাবলীল হতো। ওঁর সঙ্গে যে গল্প করতে পারিনি, সেটা হয়তো আমারই ঘাটতি। নতুনদের ঘাটতি সিনিয়ররা ঢেকে দিতেন। উত্তমদা, মিসেস সেন দু'জনকেই সেটা করতে দেখেছি।

এক দিনের শুটিংয়ের কথা খুব মনে পড়ে। দীর্ঘদিন পরে স্বামী ব্রজেশ্বরের সঙ্গে প্রফুল্লর দেখা হচ্ছে। পরিচালক মিসেস সেনকে আট-দশ লাইনের একটা ডায়লগ দিলেন। উনি সেটা কয়েক বার পড়ে জিজ্ঞাসা করলেন, "খোকাদা এই কথা বলার সময় তো প্রফুল্লের মনে খুব কষ্ট হচ্ছে। সংলাপের কোন লাইনে এসে চোখে জল এলে ভাল হয়?" দীনেনদা কান্নার জায়গাটা দেখিয়ে দিলেন। সংলাপ বলতে বলতে ঠিক সেই জায়গায় ওঁর চোখে আপনাআপনি জল এসে গেল।©️ বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী যুগ।

সুচিত্রা সেন ছিলেন আমার স্বপ্নের নারী। তাঁকে কাছ থেকে দেখাটাও স্বপ্ন হয়েই রয়ে গেল। রক্ত মাংসের মানবী বলে মনেই হল না। শুনেছি, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় বিজলি হলে 'দেবী চৌধুরাণী'র নাইট শো দেখতে এসেছিলেন। এত বিভোর হয়ে গিয়েছিলেন যে, গাড়ি না নিয়ে হাঁটতে হাঁটতেই বাড়ি চলে যান।

🌼তথ্য ঋণ : আনন্দবাজার পত্রিকা, ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ দৈনিক সংখ্যা। 🌼

ততটা আলোচনা না হলেও বাংলা সিনেমা জগতের অন্যতম সেরা ছবি গুলোর মধ্যে তপন সিংহ পরিচালিত আপনজন সিনেমার স্থান পাওয়া উচিৎ বলে ...
13/01/2024

ততটা আলোচনা না হলেও বাংলা সিনেমা জগতের অন্যতম সেরা ছবি গুলোর মধ্যে তপন সিংহ পরিচালিত আপনজন সিনেমার স্থান পাওয়া উচিৎ বলে আমার মনেহয়।বদলে যাওয়া একটা সমাজ,যেটা প্রায় ৯০এর দশক পর্যন্ত চলেছিল তার জলছবি এই সিনেমা।পাড়ায় পাড়ায় লোকাল গুন্ডাদের এলাকা দখলের খেলা ও তাতে ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক মদতের স্বার্থ।শিক্ষাকে,প্রেমকে যখন বেকারত্বর কাছে বিলিয়ে দেওয়া হয় তখন সমাজের প্রতি এক তীব্র ক্ষোভ জন্মায় ।রবি (স্বরূপ দত্ত) আর ছেনো (শমিত ভঞ্জ) সেই পাড়ার মাস্তানি তাঁদের শরীরী ভাষায় প্রতি মুহূর্তে ফুটিয়ে তুলেছে।স্বরূপ দত্তর ফ্যান হয়ে গিয়েছিলাম।অনবদ্য ছায়া দেবীকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই।তখন এই ধরণের কিছু ছেলেদের কিন্তু মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর একটা প্রবণতা ছিল।সেটাকেও সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন মহান পরিচালক।
আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয় বাংলা থেকে হিন্দিতে যত সিনেমা হয়েছে তার মধ্যে এটা একটা ভালো কাজ ছিল ।তপন সিনহা থেকে উপযুক্ত গুলজার সাহেবের হাতে পড়ে ছিল, তাই হয়তো।সঙ্গে মিনা কুমারী যথাযত সুন্দর ।শ্যাম চরিত্র টি বিনোদ খান্নার অন্যতম সেরা কাজ।শত্রুঘ্ন সিনহা ও খুব ভালো।আপনাদের কেমন লেগেছিলো?

ফেস বুক থেকে সংগৃহিত

পেট চালাতে সার্কাস দলে কাজ করতেন অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তী, সাজতেন জোকার----পথের পাঁচালি তে প্রসন্ন গুরুমশাই এর চরিত্র করা...
11/12/2023

পেট চালাতে সার্কাস দলে কাজ করতেন অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তী, সাজতেন জোকার----
পথের পাঁচালি তে প্রসন্ন গুরুমশাই এর চরিত্র করার সময়ই সত্যজিৎ রায়ের নজরে পড়েন তিনি | পরে সত্যজিৎ রায় যখন তাকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন “পরশ পাথর” এ হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলেছিলেন আনন্দে | শুটিং এর সময় লোকেশন এ তার জন্য গাড়ী পাঠিয়ে দিতেন সত্যজিৎ রায় | দুদিন যাতায়াতের পর তিনি সত্যজিৎ রায়কে বলেছিলেন- এই ট্যাক্সি করে যাতায়াত করতে তিনি পারছেন না। এতে তিনি তাঁর অভিনয়ের স্বত:স্ফূর্ততা হারিয়ে ফেলছেন। তারপর থেকে তিনি আবার ট্রামেই যাতায়াত শুরু করেন। আজকালকার দিনে, কেউ ভাবতে পারবেন- এই কথা? অভিনয় করতেন কোনো মেকআপ ছাড়াই । সত্যজিৎ রায় একটি অমোঘ কথা বলেছিলেন তাঁর সম্বন্ধে | একটি সাক্ষাৎকারে উনি বলেন-” তাঁর অভিনয়ের কদর এই পোড়া দেশে কেউ করে না তবে আমেরিকায় জন্মালে উনি নিশ্চিত অস্কার পেতেন” | যদিও পরশ পাথরের জন্য সত্যজিৎ রায় তাঁকে প্রতিদিন একশো টাকা পারিশ্রমিক এর প্রস্তাব দিলে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন-” ওরে বাবা আমি এত টাকা পাওয়ার যোগ্য নই.. আর সিনেমা পাড়ায় যদি রটে যায় আমি রোজ একশো টাকা নিচ্ছি আমি আর কাজ পাব না মানিকবাবু |”

তিনি বাংলার গর্ব কিংবদন্তি অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তী |

প্রবল দারিদ্র্যের সঙ্গে আজীবন লড়াই করলেও মুখের হাসি ছিল অনাবিল | অনুপকুমার কে ছেলে বলতেন তুলসী চক্রবর্তী | প্রবল শীতে একবার অনুপকুমার তুলসী চক্রবর্তী কে একটি সোয়েটার কিনে দেওয়ায় অনুপকুমার কে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেছিলেন তুলসী চক্রবর্তী | অভাব থাকলেও অভিনয়ের জন্য নূন্যতম টাকা নিতেন তুলসী চক্রবর্তী। উত্তমকুমার থেকে সত্যজিৎ, সকলকেই টাকা হাতে দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছেন। ‘অবাক পৃথিবী’-র সময় একবেলা কাজের জন্য তাঁকে দেওয়া হল তিনশো টাকা। তিনি কিছুতেই তা নেবেন না। কারণ, তখন তাঁর রেট দিনে একশো পঁচিশ টাকা। দলের অনেকের জামা-জুতো ছিঁড়ে গেলে নিজের হাতে সেলাই করে দিতেন তুলসীবাবু। অবসর সময়ে পৌরোহিত্য করে সংসার চালাতেন।

৩ মার্চ, ১৮৯৯ সালে কৃষ্ণনগরের গোয়ারী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন তুলসীবাবু। রেলে চাকুরীরত বাবার অকালমৃত্যুর পর মা নিস্তারিণী দেবীকে নিয়ে কলকাতায় এসে তাঁর প্রথম লক্ষ্যই ছিল একটা ভাল চাকরী জোগাড় করা |

ভাল গান গাইতে পারতেন, বিশেষ করে কীর্তনাঙ্গের গান। কাকার অর্কেষ্ট্রা পার্টির গ্রুপ ছিল। তুলসী চক্রবর্তীও সে দলে যোগ দিয়ে কীর্তন ও শ্যামা সঙ্গীত গাইতেন। পরে কাকা স্টার থিয়েটারে যোগ দিলে কলকাতার রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে চিৎপুরের এক মদের দোকানে বয়ের কাজ জোটালেন। কাকা খবর পেলে কাজ ছাড়তে হল। এরপর কাজ নিলেন ঘড়ি সারাইয়ের দোকানে। সেখানে বেশিদিন মন টিকল না। বাড়ি থেকে পালিয়ে বর্মা গেলেন। যে জাহাজে পালালেন সেটিতে বোসেস সার্কাস পার্টিও চলেছিল। সেখানেই চাকরি নিলেন। মাঝে মধ্যে শোয়ের ফাঁকে জোকারও সাজতেন। এভাবেই তিনি হাস্য-কৌতুকের প্রতি ঝোঁকেন।

তুলসী চক্রবর্তী সার্কাসে থেকে কিছু খেলা যেমন শিখলেন তেমনি শিখলেন উর্দু ও হিন্দী বলতে। সার্কাসে তিনি ছয়মাস মত ছিলেন। চলে আসার কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলতেন- ‘শরীর থেকে জন্তু-জানোয়ারের গন্ধ বেরচ্ছে দেখে চলে এলুম।’ কাকা তখন তাঁকে ছাপাখানায় কম্পোজিটরের কাজ জুটিয়ে দিলেন। সেখানে থিয়েটারের হ্যান্ডবিল ও পোস্টার ছাপা হত। তা দেখে তার অভিনেতা হতে ইচ্ছে করল।

জ্যাঠামশায়কে অনেক অনুরোধ করায় তিনি স্টার থিয়েটারে অপরেশ মুখোপাধ্যায়ের সাহায্যে ঢোকালেন। সে সময় প্রেসে তার মাইনে ছিল ৩২ টাকা। স্টারে এলেন ৮ টাকার মাইনেতে!

তৎকালীন ষ্টার থিয়েটারের মালিক ছিলেন অপরেশ মুখোপাধ্যায়। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই চোখে পড়ে যান অপরেশবাবুর। এই অপরেশবাবুই তালিম দেন তুলসী চক্রবর্তীকে। টপ্পা গান, পাখোয়াজ বাজানো- সব শিখেছিলেন। ১৯২০ সালে প্রথম ষ্টেজে অভিনয় করেন। ১৯২৭ সাল পর্যন্ত তিনি ষ্টার থিয়েটারেই ছিলেন। পরে যোগ দেন, মনমোহন থিয়েটারে। ১৯৬০ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪২টা নাটকে অভিনয় করেন। তুলসী চক্রবর্তীর সিনেমা শুরু ১৯৩২ সালে, নিউ থিয়েটারের ‘পুনর্জন্ম’ সিনেমায়। তাঁর শেষ সিনেমা মৃত্যুর আঠারো বছর পর মুক্তি পায় ১৯৭৯ সালে ‘আমি রতন’।

সারাজীবনে ৩১৬ টি বাংলা ও ২৩ টি মত হিন্দী সিনেমা করলেও দারিদ্র ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। ১১ ডিসেম্বর ১৯৬১ তে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এই অভিনেতা। পয়সাও ছিল না চিকিৎসার জন্য। প্রচণ্ড দারিদ্রতা তো ছিলই, তার ওপরে নিজের বাড়ীটা দান করেছিলেন এলাকার দরিদ্র পুরোহিতদের জন্য। স্ত্রী উষারাণী দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছেন একমুঠো খাবারের জন্য। দারিদ্রের কারণে স্বামীর সবকটি মেডেল বিক্রী করতেও বাধ্য হয়েছিলেন। মারা যাবার পর সরকারের তরফ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোরও কোনও বন্দোবস্ত ছিল না তখন। অবশ্য তাতে কিছু আসে যায় না। তিনি আছেন। বাঙালির অন্তরে আছেন থাকবেনও।
প্রয়াণদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য 🙏💐🙏
সংগৃহীত।

জন্মদাত্রীকে তিনি কোনওদিন দেখেননি। জন্মানোর মাস পাঁচেকের মধ্যেই মারা গিয়েছিলেন তাঁর মা। পিসিমা কমলাদেবীর স্তনপান করেই বড়...
18/10/2023

জন্মদাত্রীকে তিনি কোনওদিন দেখেননি। জন্মানোর মাস পাঁচেকের মধ্যেই মারা গিয়েছিলেন তাঁর মা। পিসিমা কমলাদেবীর স্তনপান করেই বড় হয়েছেন। তাঁকেই মা বলে ডাকতেন। সাত বছর বয়সেই যশোর থেকে নিজের বাড়ির পাট চুকিয়ে পিসির কাছে চলে এসেছিলেন তিনি। পিসতুতো বড় দাদা জয়দেব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেই একইসঙ্গে পেয়েছিলেন পিতৃস্নেহ, শাসন, ভালবাসা। তাঁকেই বাবার মতো শ্রদ্ধা করতেন। জন্মদাতা পিতা কালেভাদ্রে গ্রাম থেকে তাঁর কাছে আসতেন এবং সময় কাটাতেন। কখনও নিয়ে যেতেন মেলায়, কখনও বা পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে উদাত্ত কণ্ঠে শুরু করতেন গান। তবে কখনওই বাবার সঙ্গে সেভাবে আত্মিক যোগাযোগ গড়ে ওঠেনি 'সিনেমাওয়ালা'-র। তাই তো জন্মদাতা বাবাকে তিনি কাকা বলে ডাকতেন।

পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় । বড়পর্দায় এসেছে 'টনিক'। দেব এর সঙ্গে সেই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গেছে তাঁকে | আশি পেরিয়েও ভিন্ন স্বাদের সব চরিত্রে বড়পর্দায় হাজির হচ্ছেন তিনি। এককালে ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘের সদস্য। তার পরে গ্রুপ থিয়েটারে অভিনয়।
বারো-চোদ্দো বছর বয়স থেকে থিয়েটার করছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। থিয়েটারই প্রাণ। এই থিয়েটারের কাজ বজায় রাখতে গিয়েই অনেক স্ট্রাগল করেছেন | জেলায় জেলায় ঘুরে আইপিটিএ-র থিয়েটার করতেন। অভিনয়ের সঙ্গে সমাজজীবন কী গভীর ভাবে জড়িয়ে, সেই বোঝাপড়াটা জন্মায় আইপিটিএ-তে গিয়েই। অফিসের ছুটি ফুরিয়ে যেত। মাসে সতেরো আঠেরো দিনের মাইনে পেতেন। স্ত্রী-র সঙ্গে ভাব-ভালবাসা করে বিয়ে। ফলে সেই যুগে... অনেকেরই যা হয়েছে আর কী... পরিবারের থেকে প্রথমেই আলাদা। স্ত্রী জুনিয়র স্কুলের শিক্ষকতা করতেন। মাস তিন-চারেক বাদে বাদে সামান্য মাইনে। সংসারে টানাপড়েন লেগেই থাকত। কারও কাছে হাত পাতার অভ্যেস ছিল না। সংসার চালাতে বউয়ের গয়নাও বন্ধক দিতে হয়েছে | আর এরই মাঝে চলেছে অভিনয় |

২০০০-এ চাকরিতে অবসর নেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় । তার পর নিয়মিত বড় পর্দায়। সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে একবার দেখা হলেও তাঁর কোনো ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পাননি বাংলার প্রখ্যাত অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, সন্দীপ রায়ের একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। সন্দীপ রায়ের সঙ্গেও পরম আত্মীয়ের মত সম্পর্ক তাঁর | সন্দীপ রায় কখনও পরাণবাবুকে কমেডিয়ানের ক্যাটাগরিতেও ফেলেন না। কী ‘রয়েল বেঙ্গল রহস্য’ কী ‘বাদশাহী আংটি’ সব জায়গাতেই পরাণবাবু সিরিয়াস রোল করেছেন । 'বোম্বাইয়ের বোম্বেটে' দিয়ে শুরু। 'বাদশাহী আংটি' তো ছিলই, এছাড়াও 'চার', 'যেখানে ভূতের ভয়', 'রয়্যাল বেঙ্গল রহস্য', 'টিনটোরেটোর যিশু'। সত্যজিৎ রায়ের অনবদ্য চরিত্র তারিণী খুড়োকেও তিনি পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন সন্দীপ রায়ের হাত ধরেই। সন্দীপ রায়ের আগামী ছবি 'হত্যাপুরী' সম্ভবত বড়দিনে বড় পর্দায় মুক্তিলাভ করবে। সেখানে ডিজি সেনের ভূমিকায় দেখা যাবে বর্ষীয়ান অভিনেতাকে। আরও অনেক বিখ্যাত ছবিতে তাঁর সাবলীল অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। যেমন ‘গয়নার বাক্স’, ‘প্রলয়’, ‘যেখানে ভূতের ভয়’, ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’, ‘নোবেল চোর’, ‘গোঁসাই বাগানের ভূত’, ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ প্রভৃতি।

আজ পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৮৩তম শুভ জন্মদিন। জানাই একরাশ শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা ও অভিনন্দন!

© অহর্নিশ
তথ্য : আনন্দবাজার পত্রিকা (পরাণওয়ালা), হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা

কিংবদন্তি সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার সমগ্র সংগ্রহে রাখার মত বই । এই বইতে পাবেন সত্যজিৎ রায়ের সকল সাক্ষাৎকার । সত্যজিৎ প্রেমীরা অবশ্যই সংগ্রহ করুন এই বই ।

আমাজন লিংক : https://amzn.to/3QkMffA

----------------

সত্যজিৎ রায় মারা যাবার ঠিক পরেই ২৮ মার্চ ১৯৯২ দেশ সত্যজিৎ রায় সংখ্যা বেরিয়েছিল ওনার স্মরণে । অতি স্বল্পমূল্যে দুষ্প্রাপ্য পত্রিকাটির পিডিএফ চাইলে whatsapp করুন 9039039232 নম্বরে ।

09/10/2023

'ফরিয়াদ ছবিতে সুচিত্রা সেন।
মহানায়িকার অভিনয় জীবনের অন‍্যতম ব্লকবাস্টার সুপারহিট ছবি হল পরিচালক বিজয় বসুর #ফরিয়াদ।

সংগ্রহ: মৌমিতা রায় চৌধুরী।

জন্ম শতবর্ষে হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়🌿🌿তাঁর হাত ধরেই ষাট সত্তরের দশকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের যুগান্তকারী পরিবর্তনের  সূচণা হয়ে...
05/10/2023

জন্ম শতবর্ষে হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়🌿🌿

তাঁর হাত ধরেই ষাট সত্তরের দশকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচণা হয়েছিল। গোদা দাগের বাণিজ্যিক ছবির আদলকে দুমড়ে মুচড়ে এক স্বতন্ত্র পথ সৃষ্টি করেছিলেন তিনি। মিষ্টি গল্প, মধ্যবিত্তের গল্প আর ন্যাচারাল সাজ পোষাক, অভিনয় ছিল তাঁর ছবির সফলতার রসায়ন।
বাস্তব জীবনে রসায়ন নিয়েই পড়াশোনা করেছিলেন। কিন্তু কাজ করতে শুরু করেন ক্যামেরার পেছনে ক্যামেরাম্যান হিসেবে। এডিটিং এ হাত পাকান সে সময়ের বিখ্যাত এডিটর সুবোধ মিত্র (কাঁচিদা) র সান্নিধ্যে। পরবর্তী গন্তব্য মুম্বই। তখনকার বোম্বে। বিমল রায়ের সাথে এডিটিং এর কাজ শুরু করেন। এরপর বিমল রায়ের 'দো বিঘা জমিন' আর 'দেবদাস ' এর মত সফল ছবিতে সহ পরিচালকের কাজ তাঁর জীবনে প্রথম বড় সফলতা।
পরিচালক হিসেবে প্রথম ছবি ছিল 'মুসাফির'। দ্বিতীয় ছবি 'আনারি' ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার জিতে নেয়। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বোম্বে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির 'ঋষিদা' হয়ে ওঠেন তিনি।
শুধু বড় পরিচালক ছিলেন তাই নয়। ছিলেন কিং মেকার। অমিতাভ বচ্চনকে 'আনন্দ ' এ ব্রেক দিয়েছিলেন তিনিই। বাকিটা ইতিহাস।
আদ্যন্ত ছিলেন বাঙালি। আটপৌরে বাঙালিদের বাংলা গল্প নিয়ে একের পর এক ছবি করেছিলেন। লেখক বাঙালি, অভিনেতা বাঙালি, সঙ্গীত পরিচালক, গায়ক বাঙালি।
'মিলি' তে জয়া ভাদুরি, 'আনন্দ ' সুমিতা সান্যাল, 'গুড্ডি' তে শমিত ভঞ্জ, ' চুপকে চুপকে' তে লিলি চক্রবর্তী, 'বাবুর্চি' তে কালী ব্যানার্জি লিস্টটা লম্বা।
এছাড়াও হিন্দি ছবিতে ইতিমধ্যেই কাজ করছিলেন এমন বাঙালিদের উপস্থিতিও থাকত চোখে পরার মতন। যেমন উৎপল দত্ত (গোলমাল), অশোককুমার (খুবসুরত), শর্মিলা ঠাকুর( চুপকে চুপকে), রাখী গুলজার (বেমিসাল), হারীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কেষ্ট মুখার্জি, অসিত সেন ইত্যাদি।
সেই সময়ে এত বেশী বাংলার মানুষ বলিউডে কাজ করতেন যে তখনকার ছবি গুলো এখনো দেখলেই একটা সুইট টাচ অনুভব করা যায়।
ঋষিদার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাসু চট্টোপাধ্যায় ও বাসু ভট্টাচার্য এই দুই বাঙালি পরিচালকও মধ্য পথের সিনেমা তৈরি করেছিলেন।
মশালা ছবির বাইরে বেরিয়ে ভাল ছবি পথিকৃৎ হয়েই থেকে যাবেন হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়। অকুন্ঠ শ্রদ্ধা রইল। ।
Collected

Address

Vadodara

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bengali FILM Industry posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category